Blog

  • ব্রণ নিরাময়ে কার্যকরী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উপায়

    ব্রণ নিরাময়ে কার্যকরী হোমিওপ্যাথি চিকিৎসার উপায়

    ত্বকে ব্রণ হওয়া একটি অস্বস্তিকর সমস্যা যা মুখের সৌন্দর্য কমিয়ে দিতে পারে। এটি সাধারণত বয়ঃসন্ধির সময় বেশি দেখা যায়, তবে বড় বয়সেও হতে পারে। ব্রণ হলে অনেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার শুরু করেন, যা কিছু সময় বিপত্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সঠিক চিকিৎসা না নিলে ব্রণ সহজে সারতে চায় না এবং বার বার ফিরে আসতে পারে। তাই ব্রণের ধরন, কারণ, ও সঠিক চিকিৎসা সম্পর্কে জানা জরুরি।

    ব্রণের ধরন

    ব্রণের একাধিক ধরন রয়েছে, যা বিভিন্ন উপসর্গে প্রকাশ পেতে পারে:

    • কমিডন (Comedones): প্রাথমিক পর্যায়ের ব্রণ যা মুখে সাদা দানার মতো হয়। এটি সাধারণত ত্বকের লোমকূপের তলে তেল এবং মৃত কোষ জমে গিয়ে সৃষ্টি হয়।
    • পাস্টিউলার অ্যাকনে (Pustular Acne): ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে তৈরি বড়, ব্যথাযুক্ত ব্রণ যা পুঁজযুক্ত হয়। এটি সাদা বা হলুদ পুঁজ দ্বারা পূর্ণ থাকে।
    • সিস্টিক অ্যাকনে (Cystic Acne): মুখভর্তি বড় ধরনের ব্রণ যা গভীর এবং ব্যথাযুক্ত হয়। এটি ত্বকের গভীরে সংক্রমণের ফলে সৃষ্টি হয়।

    ব্রণ হওয়ার কারণ

    ব্রণের প্রকৃত কারণ এখনো পুরোপুরি জানা যায়নি, তবে কিছু সাধারণ কারণ হলো:

    • ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া: অতিরিক্ত তেল বা ‘সিবাম’ নিঃসরণ হলে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায়, যা ব্রণের কারণ হতে পারে।
    • ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ: ‘প্রোপিয়োনি ব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনেস’ নামের ব্যাকটেরিয়া ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে।
    • হরমোনাল পরিবর্তন: বিশেষ করে বয়ঃসন্ধির সময় এবং কিছু ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সাথে সাথে হরমোনের পরিবর্তন ব্রণের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
    • খাদ্যাভ্যাস: ফাস্ট ফুড, অসম্পৃক্ত চর্বি, ও চিনি ব্রণের জন্য দায়ী হতে পারে। চিনি ‘সিবাম’ নিঃসরণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
    • প্রসাধনীর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: যাচাই-বাছাই না করে বিভিন্ন প্রসাধনী ব্যবহার ব্রণের সৃষ্টি করতে পারে।

    হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা

    ব্রণের চিকিৎসার জন্য হোমিওপ্যাথিতে অনেক কার্যকরী ওষুধ রয়েছে, যেমন:

    • ক্যালকেরিয়া পিক (Calcarea Pic): ব্রণের প্রাথমিক পর্যায়ের চিকিৎসায় ব্যবহৃত।
    • সিপিয়া (Sepia): হরমোনাল পরিবর্তনের কারণে হওয়া ব্রণে কার্যকর।
    • সিফিলিনাম (Syphilinum): দীর্ঘস্থায়ী ব্রণের জন্য সহায়ক।
    • মেডোরিনাম (Medorrhinum): কষ্টকর ব্রণ নিরাময়ে ব্যবহৃত।
    • কেমোমিলা (Chamomilla): পুঁজযুক্ত ব্রণের ক্ষেত্রে কার্যকর।

    এই ওষুধগুলোর সঠিক ব্যবহারে ব্রণ দূর করা সম্ভব। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা শুধুমাত্র ব্রণ নিরাময় নয়, মুখের অযাচিত দাগও দূর করে এবং ত্বককে স্বাস্থ্যবান করে তোলে।

    হোমিওপ্যাথির কিছু সাধারণ নিয়ম

    • অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথের পরামর্শ: হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেওয়ার আগে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    • ওষুধের সঠিক মাত্রা: ওষুধের সঠিক মাত্রা ও সময় মেনে চলা উচিত।
    • চিকিৎসার সময়কাল: কোন ওষুধ কতদিন চলবে তা নির্ভর করবে ব্রণের প্রকারভেদ ও ত্বকের সমস্যার গভীরতার উপর।

    ব্রণ সমস্যার সমাধানে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ চাইলে আজই যোগাযোগ করুন: ০১৭১০০৫০২০০

    mahomeo

    [rank_math_contact_info]

  • পিত্ত-কিডনি ও অগ্ন্যাশয়ে পাথরের লক্ষণ ও চিকিৎসা

    পিত্ত-কিডনি ও অগ্ন্যাশয়ে পাথরের লক্ষণ ও চিকিৎসা

    গলস্টোনঃ গলস্টোনের ব্যাথা সাধারণত পেটের ওপর ডানদিক থেকে পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। তবে বেশিরভাগ রোগীরই কোন ব্যথা থাকে না। গ্যাস-অম্বলের চিকিৎসার জন্য পেটের আলট্রাসনোগ্রাফি করাতে গিয়ে গলস্টোন ধরা পড়ে। এই অবস্থাকে সাইলেন্ট স্টোন বলে। বেলি অ্যান্ড লাভের মতো সার্জারির বিশ্ববিখ্যাত টেক্সট বইগুলো কিন্তু সাইলেন্ট স্টোনের ক্ষেত্রে অপারেশন না করারই পরামর্শ দিয়েছেন ৷ প্রতি একশত জন রোগীর ক্ষেত্রে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা চারজন বা পাঁচজনের—তাও প্রায় শেষ বয়সে গিয়ে। তাই সেই ভয়ে গলস্টোন হলেই গলব্লাডার কাটার পরামর্শ কোন উদ্দেশ্য সাধন করে তা পাঠকরাই ভেবে দেখবেন। সাইলেন্ট স্টোনে হোমিওপ্যাথি অত্যন্ত ফলপ্রসু। অনেক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকেরও ধারণা অন্য স্টোন ওষুধে ভালো হলেও গলস্টোন সারে না। কারণ বাইল ডাক্টের ডায়ামিটার ছোট বলে স্টোন বেরোনোর উপযুক্ত নয়। কিন্তু ঘটনা হল, গলব্লাডার ও বাইল ডাক্ট যেহেতু সার্কুলার মাসল ফাইবার দিয়ে তৈরি, তাই স্টোনের সাইজ নালীর ডায়ামিটারের থেকে বড় হলেও নালীর অত্যাধিক প্রসারণ ক্ষমতার জন্য স্টোন বার হওয়া সম্ভব হয়। সার্কুলার মাসল ফাইবারের প্রসারণ ক্ষমতা সুন্দর উদাহরণ হল অজগরের আস্ত হরিণ গিলে নিথোজেনিক বাইল তৈরির প্রবণতাও হোমিওপাথিক ওষুধ রোধ করে এবং গলস্টোন থেকে ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমিয়ে দেয়। তবে একথা ঠিক যে ওষুধ দিয়ে গলস্টোন সারানোর সাফল্যের হার হলে তাকে অভিকর্ষের বিরুদ্ধে উপরের দিকে বেরোতে হয় কিছুটা পথ। তাই কিডনী স্টোনের তুলনায় কম, কারণ অ্যানাটমিক্যাল কারণে গলস্টোন বেরোতে কাজটা একটু জটিল। তবে ঘাবড়াবার কিছু নেই। বলডো, ফেল টাউরি, ক্যালকেরিয়া, ন্যাট্রাম সালফ, কার্ডয়াস ইত্যাদি ওষুধ গলস্টোন নিরাময় করতে সক্ষম। এরপরও বারবার ব্যথা হতে থাকলে অবশ্যই সার্জারির কথা ভাবতে হবে।

    কিডনি স্টোন : এক্ষেত্রে পিঠ থেকে ব্যথা কোমর হয়ে কুঁচকির দিকে নামে, বমি হয়, জ্বর আসে। ব্যথা হলে ক্যালকেরিয়া কার্ব, বার্বারিস, ট্যাবেকাম ব্যবহৃত হয়। এরপর স্টোনের কারণ ও লক্ষণ অনুযায়ী লাইকো, ক্যান্থারিস, সার্সাপ্যারিলা, অসিমাম ক্যানাম, জেকিউরিটি, প্যারাথাইরয়েডিয়াম, ফ্যাবিয়ানা ইত্যাদি ওষুধ দিলে স্টোন বার হয়ে যায় ও বারবার স্টোন হওয়ার প্রবণতা দূর হয়। সঙ্গে অবশ্যই প্রচুর জল খেতে হবে।

    ব্লাডার স্টোনঃ এক্ষেত্রে নাভির নীচে ব্যথা, প্রস্রাবে জ্বালা, ব্যথা, প্রস্রাবে তাজা রক্ত পড়া ইত্যাদি লক্ষণ থাকে। ইউভা আর্সি, চিমাফিলা, ফেরাম পিকরিক, ক্যালকুলি রেনালিস প্রভৃতি ব্লাডার স্টোনের ভালো ওষুধ। স্যালিভারি স্টোনঃ মুখের ভিতর বা বাইরে চোয়ালের কাছে ফোলা, ব্যথা মুখ শুকিয়ে যাওয়া ইত্যাদি এই স্টোনের লক্ষণ। জিকিউরিটি, জ্যান্থোজাইলাম, ক্যালকেরিয়া সিলিকাটা ইত্যাদি ওষুধ ব্যবহৃত হয়।

    প্যাংক্রিয়াস স্টোন : ব্যথা পেটের বাঁদিকে নাভির ওপর থেকে শুরু হয়ে পিঠ অবধি যায়। বদহজম, পেটে জ্বালা, জনডিস, সুগার বেড়ে যাওয়ার সমস্যা থাকে। ওষুধের মাধ্যমে প্যাংক্রিয়াটিক স্টোন সারানো অবশ্যই চিকিৎসকের কাছে চ্যালেঞ্জিং। রোগ শুরুর আগে রোগীর মানসিক স্থিতি ও বর্তমান লক্ষণ সমান গুরুত্বপূর্ণ। আইরিস ভার্স, কারকিউমা, অ্যাট্রোপিন সালফ, প্যানক্রিয়াটিনাম ভালো কাজ দেয়। বংশে টিবির ইতিহাস, ঘনঘন সর্দি হাঁচির প্রবণতার ওপর নাইজেলা সেটিভা ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

    সূত্র- অসাধ্য রোগে হোমিওপ্যাথি

    [rank_math_contact_info]

  • মিউকাস পলিপাসের কারণ কি?

    মিউকাস পলিপাসের কারণ কি?

    পালিপাস তিন ধরনের হলেও পলিপাস বলতে আমরা সাধারণ মিউকাস পলিপাস্ই বুঝি, তাই আমাদের আলোচনা এই ধরনের পলিপাস নিয়ে।

    মিউকাস পলিপাসের কারণ মূলত অ্যালার্জী, যার ফলে নাক এবং সাইনাসের মিউকাসে জল জমে মিউকাস ফুলে ওঠে ও নাকের মধ্যে শ্বাস চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। অনেক সময় এই ফুলে ওঠা মিউকাসের উপর ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস সংক্রমণ হয়। সুতরাং অ্যালার্জীর জন্য প্রথমে ফুলে উঠলেও পরে মিউকাসের উপর অভিকর্ষের টান, ইনফেকশন ও নাক বন্ধ হওয়ার জন্য নিঃশ্বাসের চাপের ত্র্যহস্পর্শে সাইনাসের মিউকাস টিসুগুলো আরও স্পষ্ট ভাবে ফুলে ওঠে। একেই ন্যাসাল পলিপাস বলা হয়।

    ইথময়ডাল সাইনাসে এই ঘটনা ঘটলে পলিপাসগুলো নাকের ফুটো দিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসে বা নাকের ভেতরে টর্চ ফেললে দেখা যায়। একে বলে ইথময়ডাল পরিপাস্।

    ম্যাক্সিলারি সাইনাসের দ্বার যেহেতু পেছনের দিকে, তাই এই সাইনাসের পলিপ নাকের পেছনের দিকে বৃদ্ধি পায় ও হাঁ করলে মুখের পেছনের দিকে পোস্টেরিয়র ন্যাসাল ক্যাভিটিতে ঝুলতে দেখা যায়। এর নাম অ্যান্ট্রো কোয়ানাল পলিপাস।

    নাকের পলিপাস নিয়ে বিস্তারিত জানতে ও চিকিৎসা নিতে যোগাযোগ করুন- 01710050200

    [rank_math_contact_info]

  • নাকের পলিপাস কী? পলিপাস কত প্রকার

    নাকের পলিপাস কী? পলিপাস কত প্রকার

    আমাদের মাথার খুলির মধ্যে নাকের হাড়ের আশেপাশে কিছু বায়ুপূর্ণ স্থান থাকে। এদের প্যারান্যাসাল সাইনাস বলা হয়। অবস্থান অনুযায়ী এদের বিভিন্ন নাম আছে, যেমন—ফ্রন্টাল, ম্যাক্সিলারি, ইথময়ডাল, স্ফেনয়েড ইত্যাদি। পলিপাস হলো নাক এবং প্যারান্যাসাল সাইনাসের মধ্যকার মিউকাস টিসুর অতিরিক্ত বৃদ্ধি।

    পলিপাস তিন প্রকার

    ১। সাধারণ মিউকাস পলিপস-পলিপাস-
    এর মধ্যে এটিই সবচেয়ে বেশী দেখা যায় এবং অ্যালার্জীর্জনিত কারণে হয়।

    ২। ফাংগাল পলিপাস-রাইনো স্পোরিডিয়াম সিবেরী নামক একটি ফাংগাল ইনফেকশনের কারণে হয়।

    ৩। নিওপ্লাসটিক-নাকের মধ্যে টিউমার বা ক্যান্সারজনিত কারণে সৃষ্টি হয়। যেহেতু পলিপাস বলতে আমরা সাধারণ মিউকাস পলিপাস্ই বুঝি, তাই আমরা আমাদের আলোচনা এই ধরনের পলিপাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখব।

    সূত্র- অসাধ্য রোগে হোমিওপ্যাথি

    দুই থেকে তিন মাস চিকিৎসা করলে পলিপাস স্থায়ীভাবে দূর হয়। যোগাযোগ করুন 01710050200

    [rank_math_contact_info]

  • নাকের পলিপাস নিয়ে কিছু কথা

    নাকের পলিপাস নিয়ে কিছু কথা

    নাকের পলিপাস ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা মায়ের সঙ্গে চেম্বারে এসেছিল ১৭ বছরের ঝিলিক। মাধ্যমিকে ভাল রেজাল্ট করে সায়েন্স নিয়ে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তি হয়েছে। মা বললেন—“ওর একটাই অসুবিধা। রোজ যখন তখন হাঁচির জন্য পড়াশুনো শিকের উঠেছে। হাঁচি শুরু হলে থামতে চায় না। সঙ্গে নাক বন্ধ।

    মাধ্যমিকটা এইভাবেই কোনরকমে দিয়েছে। কিন্তু এটা চলতে থাকলে তো উচ্চমাধ্যমিকে রেজাল্ট খারাপ হয়ে যাবে!” উদ্বিগ্না ঝিলিকের মায়ের মতই সমস্যা নিয়ে এসেছিলেন রুকসানার বাবা- “মেয়ের বিয়ের বয়স হল।

    অথচ ও হাঁ করলে মুখের পিছন দিকে কি যেন একটা মাংসখণ্ড ঝুলে আছে। ওর অপারেশনে ভীষণ ভয়। আমার মেয়েটার কি বিয়ে হবেনা ডা. বাবু?” আসলে ঝিলিক আর রুকসানার সমস্যাটা একই—নাকের পলিপাস ।

    আধুনিক চিকিৎসা (অ্যালোপ্যাথিক), মত অনুযায়ী এর চিকিৎসা মূলতঃ সার্জারীর উপর নির্ভরশীল হলেও সার্জারীর পরও রোগটি অনেক সময় আবার ফিরে আসে। হোমিওপ্যাথিক মতে অনুযায়ী রোগের কারণ ও রোগীর লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করলে রোগটি বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই সেরে যায় এবং আর ফিরে আসে না। প্রসঙ্গতঃ বেশ কিছুদিন চিকিৎসা করার পর ঝিলিক বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ। রুকসানারও পলিপাস কমে গেছে এবং একজন ভালো শিক্ষক ছেলের সঙ্গে বিয়েও হয়ে গেছে।

    সূত্র- অসাধ্য রোগে হোমিওপ্যাথি

    নাকের পলিপাস নিয়ে যে কোনো সমস্যায় যোগাযোগ করুন 01710050200

    [rank_math_contact_info]

  • শরীরের যেসব অঙ্গে পাথর জন্মায়, কারণ কী ?

    শরীরের যেসব অঙ্গে পাথর জন্মায়, কারণ কী ?

    গলব্লাডারের আর মূত্রতন্ত্রের বিভিন্ন অংশে (যেমন- কিডনি, ব্লাডার, ইউরেটার ইত্যাদি) স্টোন সবচেয়ে বেশী হয়। এগুলো ছাড়াও কিন্তু শরীরের অন্যান্য নালী বা গ্রন্থিতেও বিশেষতঃ লালাগ্রন্থী, প্যাংক্রিয়াসে স্টোন হতে পারে।

    পাথর সৃষ্টির কেন ?

    শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্টোন হওয়ার কারণও বিভিন্ন। যেমন—

    গলস্টোন: গলব্লাডারের মধ্যে থাকে পিত্তরস বা বাইল। লিভারে তৈরি হয়ে বাইল পিত্তথলিতে জমা হয়ে ঘনীভূত হয়। গলব্লাডার মাঝে মাঝে সংকুচিত হয়ে এই ঘনীভূত বাইলকে বাইল ডাক্টের মাধ্যমে অস্ত্রে বার করে দেয়। বাইল ফ্যাট জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে। বাইলের মূল উপাদান তিনটি—কোলেস্টেরল, বাইল পিগমেন্ট ও বাইল সল্ট। কোনো কারণে এই কোলেস্টরল ও বাইল সল্টের অনুপাতের হ্রাস-বৃদ্ধি ঘটলে কোলেস্টরল থিতিয়ে পড়ে জমতে জমতে পাথর সৃষ্টি হয়। একে ‘লিথোজেনিক বাইল’বলে।

    গলব্লাডারের পাম্প করার ক্ষমতা হ্রাস পেলে বা অতিরিক্ত গর্ভনিরোধক বড়ি খেলেও একই ঘটনা ঘটতে পারে। এগুলোকে কোলেস্টেরল স্টোন বলে।

    আবার হিমোলাইটিক অ্যানিমিয়া রোগে রক্তকণিকার বিভাজন বেশি হলে বাইল পিগমেন্টের মাত্রা বেড়ে গিয়ে পিগমেন্ট স্টোন তৈরি হয়। এটিও এক ধরণের গলস্টোন।

    কিডনি স্টোন: কিডনির ভেতর যে তরল পরিশ্রুত হয়, তাতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট, ইউরিক অ্যাসিড, ফসফেট ইত্যাদি খনিজ পদার্থ থাকে। জল কম খেলে বা শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি থাকলে এই খনিজ লবনগুলো ঘনীভূত হয়ে স্টোন সৃষ্টি করে। আবার প্যারাথাইরয়েড হরমোনের গন্ডগোল থাকলে ক্যালসিয়াম মেটাবলিজম বিঘ্নিত হয়ে স্টোন ফর্মেশন হয়। বারবার কিডনিতে পাথর হলে বা বাচ্চাদের কিডনিতে পাথর দেখা গেলে এই কারণটির দিকে লক্ষ্য রেখে ওষুধ দিতে হবে। না হলে অনর্থক অপারেশন করে হয়রান হতে হবে।

    ব্লাডার স্টোন: ঘনঘন প্রস্রাবের ইনফেকশন, প্রস্টেটের বৃদ্ধি বা নার্ভের সমস্যার জন্য প্রস্রাব ঠিকমতো বার না হলে মিনারেল জমে ব্লাডারে পাথর তৈরি হয়। স্যালাইভারি স্টোন : এই স্টোন সাধারণত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় তৈরি হয়। মুখের বা গলার ক্যানসারে রেডিয়েশন থেরাপির পর, কিছু অ্যালার্জি, এপিলেপ্সি বা সাইকিয়াট্রিক ওষুধ দীর্ঘদিন খেলে লালাগ্রন্থী থেকে লালারস ঠিকমতো বেরোতে না পেরে জমে গিয়ে স্টোন সৃষ্টি করে। তাই এক্ষেত্রে বারবার জল খেয়ে মুখ ভিজিয়ে রাখতে হবে।

    প্যাংক্রিয়াস স্টোন : কোনো কারণে প্যাংক্রিয়াসের নালী ছোট হয়ে গেলে প্যাংক্রিয়াটিক এনজাইমগুলো জমে গিয়ে পাথরের আকার নেয়। প্যাংক্রিয়াসের টিউমার, গলস্টোন থেকে প্যাংক্রিয়াসের নালীর অবস্ট্রাকশন, মদ্যপান, গলব্লাডার বা প্যাংক্রিয়াসের প্রদাহ, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি ইত্যাদি কারণে এই জাতীয় স্টোন তৈরি হয়।

    এ ব্যাপারে চিকিৎসা নিতে কল করুন ০১৭১০০৫০২০০

    mahomeo
  • গলব্লাডার স্টোন, কিডনি স্টোন

    গলব্লাডার স্টোন, কিডনি স্টোন

    সাধারণ মানুষের মনে একটা প্রশ্ন প্রায়ই ঘোরাফেরা করে—গলস্টোন হলে হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে তা কি ভালো করা সম্ভব? বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মূল ধারায় চিকিৎসা পদ্ধতির পক্ষ থেকে একটা ধারণা প্রচার করা হয় যে হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে স্টোনের চিকিৎসা অবাস্তব এবং সঙ্গে সঙ্গে সার্জারি না করালে অবহেলার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই গোয়েবলসীয় প্রচারের ঢক্কানিনাদে জন্ম নেয় একটি অবৈজ্ঞানিক ধারণা—গলস্টোন হলেই বুঝি ক্যানসার অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু কারোর গলস্টোন হলে সেখান থেকে ক্যানসারের সম্ভাবনা শতাংশের ভিত্তিতে কত, সাইলেন্ট বা উপসর্গহীন গলস্টোনের ক্ষেত্রে সার্জারির অথেন্টিক টেক্সট বইগুলোতে কী মতামত দেওয়া হয়েছে—এই অপ্রিয় বিষয়গুলো সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া হয়।

    আসলে সাধারণ মানুষকে মৃত্যুভয় দেখিয়ে চিকিৎসা- ব্যবসা করাটা খুব সহজ। একজন হোমিওপ্যাথ হিসাবে প্রথমেই একটা কথা স্পষ্ট করে দিতে চাই— হ্যাঁ, শরীরের যেকোন অংশে স্টোন হলে তা হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে নির্মূল করা সম্ভব।

    অবশ্যই চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা থাকতে পারে। স্টোনের আকার অত্যাধিক বড় হলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব নাকি সার্জারি করাতে হবে—সেটা অবশ্যই চিকিৎসককে মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে, স্টোন মানেই সার্জারি নয়—হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসাই হওয়া উচিত প্রথম স্বাভাবিক পছন্দ।

    এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে কল করুন ০১৭১০০৫০২০০

  • গলায় মাছের কাঁটা বিধলে

    গলায় মাছের কাঁটা বিধলে

    মাছে-ভাতে বাঙালি। মাছ খেতে অনেকের গলায় কাঁটা বিধে যায়। খেতে বসে গলায় মাছের কাঁটা ফোটেনি এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। অনেকে এখনও আছেন মাছের কাঁটা ঠিকমতো বেছে খেতে পারেন না। খেতে বসে অনেক কথা বলেন। আবার খুব তাড়াহুড়ো করে খান।

    আরও পড়ুন: পাইলসের ধরন, লক্ষণ ও কারণ

    এনাল ফিশারের ৭ কারণ, ৬ লক্ষণ ও হোমিও চিকিৎসা

    ফলে অসাবধানে মাছের কাঁটা গলায় ফুটে যায়। আর তারপরই শুরু হয় যত বিপত্তি। গলায় মাছের কাঁটা বিঁধলে অসম্ভব অস্তস্তি শুরু হয়। তাই মাছের কাঁটা নামানোর সহজ উপায় হোমিওপ্যাথি ওষুধ। এক-দুবার খেলেই গলা থেকে কাঁটা নেমে যায়। এর চেয়ে সহজ উপায় চিকিৎসা জগতে আর হয় না। একে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার আশঙ্কাও নেই। তাই যে কেউ এ সমস্যায় পরুলে কল করুন। এছাড়াও ওষুধটি নিয়ে ঘরে রাখতে পারেন। প্রয়োজনে কাজে দেবে। এছাড়া গলার যে কোনো সমস্যায় পরামর্শ নিতে ফোন করুন- ০১৭১০০৫০২০০

    [rank_math_contact_info]

  • পাইলসের ধরন, লক্ষণ ও কারণ

    পাইলসের ধরন, লক্ষণ ও কারণ

    অবস্থান অনুযায়ী পাইলস বিভিন্ন ধরনের হয়। যেমন- বাহ্যিক পাইলস, অভ্যন্তরীণ পাইলস, প্রসারিত বা প্রল্যাপ্সড পাইলস, ব্লাইন্ড পাইলস। পাইলসের লক্ষণ পাইলসের ধরনের ওপর নির্ভর করে।

    ১. বহিরাগত পাইলস মলদ্বারের চারপাশে ত্বকের পৃষ্ঠে দৃশ্যমান এবং বাইরে থেকে দেখা বা অনুভব করা যায়। বাহ্যিক পাইলসের প্রধান লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে মলদ্বারের চারপাশে বেদনাদায়ক ফোলাভাব এবং শক্ত পিণ্ড। এই হেমোরয়েডগুলো জ্বালা করে, কখনও কখনও চুলকায় বা রক্তপাত হয়।

    ২. অভ্যন্তরীণ পাইলস মলদ্বারের গভীরে থাকে এবং বাইরে অনুভব করা বা দেখা যায় না। এটি বেশিরভাগ বেদনাহীন। কারণ এই অঞ্চলে কোনো ব্যথা নেই যেখানে এটি প্রদর্শিত হতে থাকে। অভ্যন্তরীণ পাইলসের একমাত্র উপসর্গ হলো মলত্যাগের সময় রক্তপাত। যাইহোক, একটি অভ্যন্তরীণ হেমোরয়েড মলদ্বার দিয়ে প্রসারিত হতে পারে, যার ফলে জ্বালা এবং ব্যথা হতে পারে।

    ৩. প্রসারিত বা প্রল্যাপ্সড পাইলস হল এমন একটি অবস্থা যখন অর্শ মলদ্বারের দিকে ধাক্কা দেয় যখন মলত্যাগ করার জন্য বল প্রয়োগ করা হয়। তারা দেখতে গোলাপী, ত্বকের আর্দ্র প্যাডের মতো। মলদ্বারের অংশটি ব্যথা-সংবেদনশীল স্নায়ুর সাথে ঘন হওয়ার কারণে প্রল্যাপ্সড বা প্রসারিত হেমোরয়েডগুলো ব্যথা করে। হেমোরয়েডের সাধারণ লক্ষণ হলো শ্লেষ্মা নিঃসরণ, চুলকানি এবং ব্যথা।

    ৪. অন্ধ পাইলস বলতে রক্তপাতহীন অর্শ্বরোগ বোঝায়। মলত্যাগ করার পরে শনাক্ত করা যায় এমন প্রসারিত ভরের মতো অনুভব করে।

    ৫. মিশ্র/ইন্টারনো – বাহ্যিক পাইলস এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে একই সাথে অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক পাইলস।

    ৬. থ্রম্বোজড পাইলস বলতে বাহ্যিক অর্শ্বরোগকে বোঝায় যেখানে একটি রক্ত ​​​​জমাট বাঁধে যা রক্ত ​​​​প্রবাহকে বাধা দেয়। যার ফলে তীব্র ব্যথা সহ পায়ু টিস্যু ফুলে যায়।

    পাইলসের কারণ ও লক্ষণ

    প্রাথমিকভাবে, মলদ্বারে চাপ বৃদ্ধির কারণে পাইলসের মধ্যে ফোলা শিরা দেখা যায়। এটি মলদ্বারের দেয়ালকে সমর্থনকারী টিস্যুগুলির বিচ্ছিন্নতার কারণ হতে পারে। যার ফলে অর্শ্বরোগ হতে পারে। বিভিন্ন কারণ এই ধরনের চাপ সৃষ্টিতে অবদান রাখে যা এখানে গণনা করা হয়েছে:

    ১. অনিয়মিত মলত্যাগ (কোষ্ঠকাঠিন্য হলো পাইলসের প্রধান কারণ): কোষ্ঠকাঠিন্য, মল যাওয়ার জন্য চাপ, জোলাপ ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার, টয়লেটে বেশি সময় কাটানোয় মলদ্বার এবং মলদ্বারে চাপ বাড়ায়, যার ফলে পাইলস হয়। অন্যদিকে, দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়ায় আক্রান্তদেরও কখনও কখনও পাইলস হতে পারে।

    ২. ডায়েট: ফাইবার-সমৃদ্ধ খাবারের অভাব, কম জল খাওয়া, অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ এবং মশলাদার খাবার এবং জাঙ্ক ফুড খাওয়ায় পাইলস হয়।

    ৩. গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থায় পেট এবং আশেপাশে চাপ বৃদ্ধি পায়, যা গর্ভাবস্থায় পাইলসের প্রধান কারণ। কিছু ক্ষেত্রে, মলদ্বার এবং মলদ্বারের ওপর অতিরিক্ত চাপের কারণে সন্তান প্রসবের ফলে অর্শ্বরোগ হয়।

    ৪. বয়স এবং বংশগতি: বয়স এবং বংশগতির মতো অন্যান্য কারণগুলোও মলদ্বার এবং মলদ্বারকে সমর্থনকারী টিস্যুগুলোর দুর্বলতার কারণে পাইলস হতে পারে।

    ৫. নিষ্ক্রিয় বসে থাকা জীবনধারা: শারীরিক কার্যকলাপ বা ব্যায়ামের অভাব সহ দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, এবং স্থূলতাও পাইলসের কারণ।

    ৬. পোর্টাল হাইপারটেনশন: পোর্টাল হাইপারটেনশন এমন একটি অবস্থাকে বোঝায় যেখানে পোর্টাল ভেনাস সিস্টেমের শিরাগুলির মধ্যে রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়। প্লীহা, পাকস্থলী, অগ্ন্যাশয় এবং অন্ত্র থেকে আসা শিরাগুলি পোর্টাল শিরায় মিশে যায় যা লিভারের মধ্য দিয়ে যায়। কোনো জটিলতার ক্ষেত্রে যার কারণে লিভারের মাধ্যমে রক্ত ​​সঠিকভাবে প্রবাহিত হতে পারে না। পোর্টাল সিস্টেমে উচ্চ চাপ তৈরি হয়। এই চাপ পেট, খাদ্যনালী এবং মলদ্বারে বড়, ফোলা শিরাগুলির বিকাশ ঘটাতে পারে। ফলস্বরূপ, পায়ু অঞ্চলে অর্শ্বরোগ হতে পারে।

    এ ব্যাপারে জানতে ভিজিট করতে পারেন

  • দ্রুত বীর্যপাতের কারণ ও সমাধান – মা হোমিও

    দ্রুত বীর্যপাতের কারণ ও সমাধান – মা হোমিও

    অকাল বীর্যপাতের প্রধান উপসর্গ ও কারণসমূহ

    অকাল দ্রুত বীর্যপাত, যা প্রিম্যাচুউর ইজেকুলেশন (Premature Ejaculation) নামে পরিচিত, অনেক পুরুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ যৌন সমস্যা। যৌন মিলনের সময় তিন মিনিটের মধ্যে বীর্যপাত হলে একে দ্রুত বীর্যপাত বলা হয়। এর পেছনে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক কারণ থাকতে পারে। নিচে দ্রুত বীর্যপাতের প্রধান কারণগুলো সম্পর্কে আলোচনা করা হলো:

    মনস্তাত্ত্বিক কারণ:
    উদ্বেগ, বিষণ্ণতা, এবং অতিরিক্ত মানসিক চাপ দ্রুত বীর্যপাতের সাধারণ কারণ হতে পারে। যৌন মিলনের সময় পারফর্মেন্স নিয়ে উদ্বেগ বা চাপ থাকলে পুরুষরা বীর্যপাতের সময় নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।

    হরমোনের ভারসাম্যহীনতা:
    টেস্টোস্টেরনের মতো হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দ্রুত বীর্যপাতের জন্য দায়ী হতে পারে। শরীরে হরমোনের স্তর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে যৌন উত্তেজনা দ্রুত বেড়ে যায়, যা দ্রুত বীর্যপাত ঘটাতে পারে।

    স্নায়ুর সমস্যা:
    কিছু স্নায়ুবৈকল্য বা স্নায়ুর সমস্যার কারণে পুরুষরা যৌন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ হন। স্নায়ুর সংযোগে সমস্যা থাকলে বীর্যপাত সময়ের আগেই ঘটে যায়।

    প্রস্টেট বা মূত্রাশয়ের সমস্যা:
    প্রস্টেট গ্রন্থির সংক্রমণ বা মূত্রাশয়ের সমস্যাগুলোও দ্রুত বীর্যপাতের কারণ হতে পারে। প্রস্টেট সমস্যাগুলো যৌন স্বাস্থ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

    জেনেটিক কারণ:
    কিছু পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত জেনেটিক কারণে হতে পারে। পরিবারে অন্যান্য পুরুষ সদস্যদের এই সমস্যা থাকলে এটি বংশগতভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

    অপর্যাপ্ত যৌন অভিজ্ঞতা:
    যৌন অভিজ্ঞতার অভাব দ্রুত বীর্যপাতের অন্যতম কারণ। যৌন সম্পর্কের সময় উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দ্রুত বীর্যপাত ঘটে যেতে পারে।

    অতিরিক্ত হস্তমৈথুন:
    অত্যধিক হস্তমৈথুনের ফলে লিঙ্গের সংবেদনশীলতা বেড়ে যায়, যা দ্রুত বীর্যপাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস থাকলে যৌন সম্পর্কের সময়ও দ্রুত বীর্যপাতের সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

    লিঙ্গের সংবেদনশীলতা:
    লিঙ্গের অতিরিক্ত সংবেদনশীল চামড়া দ্রুত উত্তেজনার কারণ হতে পারে, যা দ্রুত বীর্যপাত ঘটায়। এই সংবেদনশীলতা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হলে দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়।

    হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

    হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যার কার্যকর সমাধান প্রদান করতে পারে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রদান করা হয়, যা সমস্যার মূল কারণ দূর করতে সাহায্য করে।

    অকাল বীর্যপাতের প্রধান কারণ এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কার্যকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন। সমস্যা সমাধানে যোগাযোগ করুন- ০১৭১০০৫০২০০