সাধারণ মানুষের মনে একটা প্রশ্ন প্রায়ই ঘোরাফেরা করে—গলস্টোন হলে হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে তা কি ভালো করা সম্ভব? বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় মূল ধারায় চিকিৎসা পদ্ধতির পক্ষ থেকে একটা ধারণা প্রচার করা হয় যে হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে স্টোনের চিকিৎসা অবাস্তব এবং সঙ্গে সঙ্গে সার্জারি না করালে অবহেলার কারণে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই গোয়েবলসীয় প্রচারের ঢক্কানিনাদে জন্ম নেয় একটি অবৈজ্ঞানিক ধারণা—গলস্টোন হলেই বুঝি ক্যানসার অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু কারোর গলস্টোন হলে সেখান থেকে ক্যানসারের সম্ভাবনা শতাংশের ভিত্তিতে কত, সাইলেন্ট বা উপসর্গহীন গলস্টোনের ক্ষেত্রে সার্জারির অথেন্টিক টেক্সট বইগুলোতে কী মতামত দেওয়া হয়েছে—এই অপ্রিয় বিষয়গুলো সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া হয়।
আসলে সাধারণ মানুষকে মৃত্যুভয় দেখিয়ে চিকিৎসা- ব্যবসা করাটা খুব সহজ। একজন হোমিওপ্যাথ হিসাবে প্রথমেই একটা কথা স্পষ্ট করে দিতে চাই— হ্যাঁ, শরীরের যেকোন অংশে স্টোন হলে তা হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে স্থায়ীভাবে নির্মূল করা সম্ভব।
অবশ্যই চিকিৎসকের ব্যক্তিগত ব্যর্থতা থাকতে পারে। স্টোনের আকার অত্যাধিক বড় হলে ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা সম্ভব নাকি সার্জারি করাতে হবে—সেটা অবশ্যই চিকিৎসককে মাথায় রাখতে হবে। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে, স্টোন মানেই সার্জারি নয়—হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসাই হওয়া উচিত প্রথম স্বাভাবিক পছন্দ।
এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে কল করুন ০১৭১০০৫০২০০