Blog
-

নতুন ভাইরাস হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত ৬, মহামারি নিয়ে ডব্লিউএইচও’র বার্তা
বিশ্বজুড়ে যখন নতুন করে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে, তখন এই ভাইরাসটি নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শুক্রবার (৮ মে) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, একটি প্রমোদতরীতে প্রাদুর্ভাবের পর এখন পর্যন্ত ছয়জনের দেহে হান্টাভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। তবে এটি করোনার মতো নতুন কোনো বৈশ্বিক মহামারির শুরু নয় বলে আশ্বস্ত করেছে সংস্থাটি।
ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া ছয়টি কেসই মূলত ‘অ্যান্ডিস ভাইরাস’ হিসেবে চিহ্নিত। এই প্রাদুর্ভাব মূলত ‘এমভি হন্ডিয়াস’ নামক একটি জাহাজে সীমাবদ্ধ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় জাহাজের সবাইকে মাস্ক পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং যারা আক্রান্তদের সংস্পর্শে আসছেন, তাদের উন্নত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ মারিয়া ভ্যান কারকোহভ সংবাদ সম্মেলনে জানান, হান্টাভাইরাসের ছড়ানোর ধরন কোভিড বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো নয়। এটি সাধারণত আক্রান্তের খুব কাছাকাছি সংস্পর্শে এলে ছড়ায়।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এটি নতুন কোনো কোভিড মহামারির শুরু নয়। বর্তমান পরিস্থিতি ছয় বছর আগের পরিস্থিতির মতোও নয়, বরং এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট জাহাজের প্রাদুর্ভাব।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, আক্রান্ত এক দম্পতি আর্জেন্টিনা, চিলি ও উরুগুয়েতে পাখি পর্যবেক্ষণ সফরে গিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারা এমন কিছু স্থানে গিয়েছিলেন যেখানে হান্টাভাইরাস বহনকারী নির্দিষ্ট প্রজাতির ইঁদুরের উপস্থিতি ছিল। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস ঘেব্রেয়েসাস জানিয়েছেন, ভাইরাসটি কীভাবে ছড়িয়েছে তা নিয়ে আরও বিস্তারিত তদন্তের জন্য আর্জেন্টিনার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।
যদিও আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তবে এটি জনাকীর্ণ পরিবেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বড় বিপর্যয় তৈরি করবে না বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
-

ভয়াবহ সংঘর্ষে শাহরিয়ার কবির নিহত
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভারস্থ রেডিও কলোনি এলাকায় এক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ভয়াবহ সংঘর্ষে শাহরিয়ার কবির নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন এবং অন্তত পাঁচজন গুরুতর আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং থমথমে পরিস্থিতি সামাল দিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রেডিও কলোনি এলাকায় সামান্য কথা কাটাকাটি বা কোনো একটি সাধারণ বিষয়কে কেন্দ্র করে দুটি পক্ষ বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যেই সেই বাগবিতণ্ডা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষে রূপ নেয়। দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এসময় শাহরিয়ার কবির গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হলে তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
সংঘর্ষে আহত অপর পাঁচজনকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এই ঘটনার পর নিহত শাহরিয়ারের অনুসারী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ওই অংশে যানবাহনের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয় এবং আতঙ্কিত হয়ে আশপাশের দোকানপাট বন্ধ করে দেন ব্যবসায়ীরা।
খবর পেয়ে সাভার মডেল থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং সংঘর্ষের প্রকৃত কারণ উদঘাটনসহ জড়িতদের চিহ্নিত করতে কাজ চলছে। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
-

হার্ট অ্যাটাকে দিনে ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়
দেশে প্রতিদিন হার্ট অ্যাটাকে অন্তত সাতশ মানুষের মৃত্যু। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অসংক্রামক রোগ (এনসিডি) নিয়ে মানুষের মধ্যে এখনও পর্যাপ্ত সচেতনতা নেই। সংক্রামক রোগের পাশাপাশি এসব অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধেও সমান গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
বুধবার (২২ এপ্রিল) সকালে খুলনা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে ‘খুলনা জেলায় ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে এনসিডি মোকাবিলা মডেলের প্রচার ও বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন।
সেমিনারে বক্তারা উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে প্রতিদিন এক চামচের বেশি লবণ ও পাঁচ চামচের বেশি চিনি গ্রহণ না করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি প্রতিদিন তিন বেলা খাবারের পর ১০ মিনিট করে মোট ৩০ মিনিট হাঁটার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর জোর দেন।
খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয় ও এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রতিবন্ধিতা ও মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যাসহ অসংক্রামক রোগ বর্তমানে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে দেখা দিয়েছে।
এসব রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থাপনা ছাড়া অকালমৃত্যু কমানোর কোনো বিকল্প নেই।
মুজিবুর রহমান আরও বলেন, একসময় সংক্রামক রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে মনে করে কিছুটা উপেক্ষা করা হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি হাম পরিস্থিতি প্রমাণ করে-স্বাস্থ্যখাতে কোনো বিষয়ই অবহেলা করার সুযোগ নেই। এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যেখানে নিয়মিত কার্যক্রম, মনিটরিং ও টেকসই বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
খুলনা বিভাগীয় এই স্বাস্থ্য পরিচালক জানান, খুলনা বিভাগে চলমান হাম টিকাদান কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী প্রায় ১৬ লাখ শিশুকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৯৬-৯৭ শতাংশ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শতভাগ কভারেজ নিশ্চিত করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. শেখ আখতার আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. মো. এ সালাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এনসিডি প্রোগ্রামের ফোকাল পারসন ডা. রাহাত ইকবাল চৌধুরী এবং বাংলাদেশে জাপানি মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি শিনজু কারাওয়াসা। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন খুলনার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. মিজানুর রহমান প্রমুখ।
-

দেশে লাফিয়ে বাড়ছে হামের প্রকোপ, মৃত্যু আরও ১২
দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় হামে আক্রান্ত হয়ে ২ জন এবং এই রোগের উপসর্গ নিয়ে আরও ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৫ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
শনিবার সকাল ৮টা থেকে রবিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশের হাম সংক্রমণ পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয় এই বিজ্ঞপ্তিতে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে একজন রোগী ঢাকা বিভাগে এবং অন্য একজন ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছে। এ ছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে খুলনা বিভাগে ৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৩ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৪ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৭৪ জন। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে আজ ৫ এপ্রিল (সকাল ৮টা) পর্যন্ত সারা দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২৯ জন এবং সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৪৭০ জন।
এ ছাড়া গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৩ হাজার ৩৮০ জন রোগী।
-

হামের লক্ষণ ও উপসর্গ কী কী?
হামের ক্ষেত্রে, ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন পর উপসর্গগুলো দেখা দেয়। এর মধ্যে রয়েছে সর্দি, হাঁচি, জ্বর, শুকনো কাশি, গলা ব্যথা, চোখ লাল হওয়া ও ফোলা, শরীর ব্যথা এবং মুখের ভেতরে গালের ভেতরের আস্তরণে নীলচে সাদা কেন্দ্রযুক্ত ছোট ছোট সাদা দাগ, যা কোপলিক স্পট নামে পরিচিত।
ভাইরাসের সংস্পর্শে আসার প্রায় ১৪ দিন পর ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয় এবং তা প্রায় ৭ দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। এগুলো প্রথমে মাথায় দেখা দেয় এবং পরে শরীরের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এই ফুসকুড়ি ম্যাকুলোপ্যাপুলার ধরনের, যা প্রথমে বড়, চ্যাপ্টা, লাল দাগ হিসেবে শুরু হয়, কিন্তু এর ওপরে ছোট ছোট দানা দেখা দিতে পারে এবং পরে দাগগুলো একটির সাথে আরেকটি মিশে যায়। সামগ্রিক সংক্রমণটি প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়।
-

হাম কীভাবে ছড়ায়?
এটি হামের ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট একটি সংক্রামক রোগ (যা সহজেই এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায়)। হামে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির মাধ্যমে বাতাসে ভেসে আসা দূষিত কণা শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে গ্রহণ করলে এই রোগ ছড়ায়। কাশি এবং হাঁচির মাধ্যমে ছড়ানো দূষিত কণা কোনো বস্তুর ওপর পড়তে পারে এবং কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। কোনো ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারে যদি সে সংক্রমিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করার পর সঠিকভাবে হাত না ধুয়ে আঙুল মুখে, নাকে দেয় বা চোখ ঘষে। হামে আক্রান্ত কোনো ব্যক্তির শারীরিক সংস্পর্শের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ হতে পারে। ভাইরাসের সংস্পর্শে এলে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা প্রায় ৯০ শতাংশ।
যারা এই সংক্রমণের বিরুদ্ধে টিকা নেননি, তাদের সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। এছাড়া, ভিটামিন এ-এর অভাবে গুরুতর লক্ষণ ও জটিলতা দেখা দেয়।
-

হাম কী, কারা আক্রান্ত হয়?
হাম মূলত ‘মিজেলস’ নামের এক অতিসংক্রামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত রোগ। উচ্চমাত্রার জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি পড়া, রক্তবর্ণের চোখ এবং জ্বরের চার দিনের মাথায় মুখ থেকে শুরু করে সারা শরীরে লালচে র্যাশ নিয়ে হাম আবির্ভূত হয়।
হাম মরবিলিভাইরাস গোত্র এবং প্যারামিক্সোভিরিডি পরিবারের অন্তর্গত ভাইরাস। এটি একটি ভাইরাসঘটিত সংক্রমণ। এটি রুবিওলা নামেও পরিচিত এবং এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ।এটি সাধারণত শিশুদের মধ্যে দেখা যায়, তবে প্রাপ্তবয়স্করাও এতে আক্রান্ত হতে পারেন। শ্বাসতন্ত্রে এর উৎপত্তি হয় এবং কিছু ক্ষেত্রে এই সংক্রমণ গুরুতর ও প্রাণঘাতী হতে পারে। আগে এই সংক্রমণ খুব সাধারণ ছিল, কিন্তু এখন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসেবে টিকা ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
হামের ব্যবস্থাপনায় হোমিওপ্যাথি
হামের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি একটি সহায়ক ভূমিকা পালন করে। হামের লক্ষণ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে। এগুলো ভাইরাস সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শরীরের স্বাভাবিক নিরাময় প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করে সাহায্য করে। এই ওষুধগুলো উপসর্গের তীব্রতা কমায় এবং আরোগ্য দ্রুত করে। হামের গুরুতর জটিলতা দেখা দিতে পারে, তাই হোমিওপ্যাথিক ওষুধের ব্যবহার শুধুমাত্র প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি বিবেচনা করা উচিত, স্বাধীনভাবে নয়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে গ্রহণ করা উচিত এবং নিজে নিজে ওষুধ খাওয়া পরিহার করা উচিত।এ সম্পর্কে ভিডিও দেখুনhttps://youtube.com/shorts/qOlUc0InIfI?si=oTHiUp2dNhsv-QAr
-

ক্যানসার দমনে বিজ্ঞানীদের নতুন অস্ত্র ‘ইরাডেক’
বিজ্ঞানীরা ক্যানসারসহ দুরারোগ্য ব্যাধি নিরাময়ে কোষের ভেতরের এক প্রাকৃতিক ‘প্রোটিন ধ্বংসকারী’ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছেন। ‘ইরাডেক’ নামক এই নতুন কৌশলে কোষের নিজস্ব ‘এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম-সম্পর্কিত ডিগ্রেডেশন’ প্রক্রিয়াকে ব্যবহার করে সুনির্দিষ্ট রোগসৃষ্টিকারী ক্ষতিকর প্রোটিন ধ্বংস করা সম্ভব।
গবেষণায় দেখা গেছে, একটি ক্ষুদ্র অণুর সাহায্যে এই প্রাকৃতিক ব্যবস্থাকে ‘হাইজ্যাক’ করে ক্যানসার কোষের সুরক্ষাকবচ হিসেবে পরিচিত পিডি-এল১ প্রোটিনকে টার্গেট করা যায়। প্রচলিত ইনজেকশন বা অ্যান্টিবডি থেরাপির চেয়ে এই পদ্ধতিতে টিউমার সংকুচিত করার হার অনেক বেশি কার্যকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা একে বিশেষ করে ‘ট্রান্সমেমব্রেন প্রোটিন’ ধ্বংসে গেম-চেঞ্জার হিসেবে দেখছেন।
সবচেয়ে আশার কথা হলো, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে ইনজেকশনের বদলে মুখে খাওয়ার ওষুধ বা ট্যাবলেট তৈরি করা সম্ভব হবে। ফলে আলঝেইমার বা দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মতো রোগের চিকিৎসা রোগীরা ঘরে বসেই করতে পারবেন। এতে হাসপাতালের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং চিকিৎসার খরচও সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে চলে আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
-

শুক্রাণু কম লক্ষণ কী, ঝুঁকি কমাতে যা করবেন
কিছু ওষুধ এবং অস্ত্রোপচারের ব্যবহার কারণে শুক্রানু কমে
শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত ওষুধগুলি হল ক্যান্সারের ওষুধ, কেমোথেরাপি, ছত্রাক-বিরোধী ওষুধ, অ্যান্টিবায়োটিক এবং স্টেরয়েড ব্যবহার।যেসব অস্ত্রোপচারের ফলে শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যেতে পারে তার মধ্যে রয়েছে ইনগুইনাল হার্নিয়া মেরামত, ভ্যাসেকটমি, অণ্ডকোষ/অণ্ডকোষের অস্ত্রোপচার, প্রোস্টেট সার্জারি, মূত্রাশয়ের অস্ত্রোপচার
গ. জীবনধারা এবং পরিবেশগত কারণ
১. অতিরিক্ত মদ্যপান এবং তামাক ধূমপান২. তীব্র মানসিক চাপ, বিষণ্ণতা
৩. কোকেন, গাঁজা, অ্যানাবলিক স্টেরয়েডের মতো ওষুধ
৪. অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতা
৫. দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার প্রয়োজন হয় এমন কাজ
৬. ভারী ধাতুর সংস্পর্শে আসা, উদাহরণস্বরূপ সীসা এবং শিল্প রাসায়নিক (যেমন টলুইন, বেনজিন, পেইন্টিং উপকরণ)
৭. এক্স-রে-এর সংস্পর্শে আসা
৮. ঘন ঘন হট টাব এবং সৌনা ব্যবহার যা অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে
ঘ. কিছু ক্ষেত্রে, শুক্রাণুর সংখ্যা কম হওয়ার পিছনে কোনও কারণ খুঁজে পাওয়া যায় না যাকে ইডিওপ্যাথিক অলিগোস্পার্মিয়া বলা হয়।
শুক্রাণুর কম, লক্ষণ কী
কম শুক্রাণুর সংখ্যার কোনও লক্ষণ ও লক্ষণ নাও থাকতে পারে তবে একজন পুরুষের অজান্তেই সমস্যা হতে পারে। তিনি সাধারণত এটি সম্পর্কে জানতে পারেন যখন তিনি বন্ধ্যাত্বের মুখোমুখি হন যা কম শুক্রাণুর সংখ্যার প্রধান লক্ষণ। এটি ছাড়া, কোনও লক্ষণ ও লক্ষণ স্পষ্ট নাও হতে পারে। তবে, শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকার কারণের উপর নির্ভর করে, কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিছু লক্ষণ নিম্নরূপ:১. ইরেক্টাইল ডিসফাংশন (যৌন মিলনের জন্য যথেষ্ট শক্তভাবে উত্থান অর্জন বা বজায় রাখতে অক্ষমতা)
২. কম যৌন ইচ্ছা (যৌন মিলনের জন্য আকাঙ্ক্ষা হ্রাস)
৩. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফোলাভাব
৪. অণ্ডকোষে পিণ্ড
৫. মুখ এবং শরীরের লোম হ্রাস
শুক্রাণুর সংখ্যা: ঝুঁকি কমাতে যা করবেন
১. ধূমপান এবং অ্যালকোহল গ্রহণ এড়িয়ে চলুন২. অতিরিক্ত ওজন থাকলে ওজন কমানোর দিকে মনোনিবেশ করুন
৩. প্রতিদিন ব্যায়াম করুন
৪. মানসিক চাপ কমানোর জন্য কাজ করুন
৫. পর্যাপ্ত ঘুম নিন
৬. মাদক থেকে দূরে থাকুন
৭. হট টাব বাথ, সনা ইত্যাদির মতো অণ্ডকোষের তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে এমন কার্যকলাপ এড়িয়ে চলুন।
