Category: অন্যান্য

  • নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম বা কিডনি সমস্যা কী? কারণ, লক্ষণ

    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম বা কিডনি সমস্যা কী? কারণ, লক্ষণ

    কিডনি ঠিকমতো কাজ করছে না? তাহলে তাকে নেফ্রাটিক সিন্ড্রোম বলে। নেফ্রাটিক সিন্ড্রোমের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা লক্ষণগতভাবে নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের পরিচালনায় সহায়ক। নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের মৃদু ক্ষেত্রে, এককভাবে হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে, নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের গুরুতর ক্ষেত্রে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো প্রচলিত চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যবহার করা যেতে পারে, যা আরও কিডনি ক্ষতি কমাতে এবং লক্ষণগত উপশম প্রদান করতে সাহায্য করে।

    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম কী?
    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের তিনটি বৈশিষ্ট্যপূর্ণ লক্ষণ রয়েছে – প্রচুর পরিমাণে প্রোটিনের ক্ষরণ মূত্রের মাধ্যমে, রক্তে প্রোটিনের পরিমাণ কমে যাওয়া এবং edema (স্ফীতি) সৃষ্টি হওয়া। কিডনিগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা রক্ত ফিল্টার করতে এবং বিপাকের বর্জ্য ও অতিরিক্ত তরল রক্ত থেকে অপসারণ করতে সাহায্য করে। কিডনিগুলো অ্যাসিড-বেস ব্যালান্স বজায় রাখতে, লাইট স্তর নিয়ন্ত্রণ করতে এবং extracellular তরলের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে অবদান রাখে। কিডনির কার্যকরী একক হলো নেফ্রন। নেফ্রনের প্রথম অংশ হলো গ্লোমেরুলাস। গ্লোমেরুলাসে একটি ক্যাপিলারি জাল রয়েছে যা প্রথম পর্যায়ে রক্ত ফিল্টার করতে এবং মূত্র গঠনের প্রক্রিয়ায় জড়িত। এই ক্যাপিলারি টাফটের কোনো ক্ষতি হলে, রক্ত থেকে অতিরিক্ত প্রোটিন মূত্রে চলে যেতে শুরু করে। এর ফলে শরীরে তরল জমে গিয়ে স্ফীতি সৃষ্টি হয়। যখন রক্তে প্রোটিনের পরিমাণ কমে যায়, তখন হৃদপিণ্ড, ফুসফুস বা পেটের গহ্বরের আশপাশে তরল জমে যায়।

    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের কারণ
    বিভিন্ন কারণে নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম হতে পারে। শিশুদের মধ্যে নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের প্রধান কারণ হলো মিনিমাল চেঞ্জ ডিজিজ। মেমব্রেনাস গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিস, বা গ্লোমেরুলাসের প্রদাহ, এবং ফোকাল সেগমেন্টাল গ্লোমেরুলোসক্লেরোসিস, বা গ্লোমেরুলিতে টিস্যু স্কার থাকার কারণে নেফ্রোটিক সিন্ড্রোম হতে পারে। অন্যান্য কারণগুলির মধ্যে রয়েছে সারকোয়েডোসিস, অ্যামাইলোডোসিস, ডায়াবেটিক কিডনি ডিজিজ, সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমেটোসাস (SLE), ভ্যাসকুলাইটিস এবং কিছু ওষুধ যেমন NSAID (নন-স্টেরয়ডাল অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি ড্রাগস)। এর বাইরে, হেপাটাইটিস B এবং HIV নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের ঝুঁকিপূর্ণ কারণ।

    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের লক্ষণ ও উপসর্গ
    নেফ্রোটিক সিন্ড্রোমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপসর্গ হলো পায়ে স্ফীতি এবং চোখের চারপাশে ফোলাভাব। প্রোটিনিউরিয়া, হাইপোঅ্যালবুমিনেমিয়া, এবং হাইপারলিপিডেমিয়া সহ ফোমি মূত্র থাকে। অন্যান্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি, apetitere হারানো, এবং ওজন বৃদ্ধি। হাইপোঅ্যালবুমিনেমিয়া কারণে, অন্যান্য উপসর্গ হতে পারে প্লিউরাল এফিউশন, পেরিকার্ডিয়াল এফিউশন, অ্যাসাইটিস অথবা সাধারণ আনারসারকা।

  • এপিলেপসি বা ‍মৃগীরোগ কত প্রকার, করণ ও লক্ষণ কী

    এপিলেপসি বা ‍মৃগীরোগ কত প্রকার, করণ ও লক্ষণ কী

    এপিলেপসি হলো স্নায়ুতন্ত্রের একটি সমস্যা, বা খিঁচুনি হওয়ার প্রবণতা। খিঁচুনি বলতে মস্তিষ্কে স্নায়ুকোষের অস্বাভাবিক এবং অতিরিক্ত কার্যকলাপের কারণে একটি ব্যক্তির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ প্রকাশ পাওয়াকে বোঝায়। এর ফলে অস্বাভাবিক আচরণ, অনুভূতি এবং কখনও কখনও চেতনা হারানোর ঘটনা ঘটে। মস্তিষ্কের যে অংশটি এতে জড়িত থাকে, তার ওপর ভিত্তি করে খিঁচুনির ধরন এবং লক্ষণ পরিবর্তিত হয়। হোমিওপ্যাথি প্রাকৃতিক উপায়ে এপিলেপসি চিকিৎসা প্রদান করে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এই হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো নিরাপদ এবং এর কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। এপিলেপসির চিকিৎসায় এই ধরনের ওষুধগুলো খুবই কার্যকর।

    খিঁচুনির ধরন ও লক্ষণ
    ফোকাল (আংশিক খিঁচুনি): মস্তিষ্কের কোনো একটি নির্দিষ্ট অংশের অস্বাভাবিক কার্যকলাপের কারণে যে খিঁচুনি হয়, তাকে ফোকাল খিঁচুনি বলা হয়। এটি দুই প্রকারের হতে পারে — সিম্পল পার্শিয়াল এবং কমপ্লেক্স পার্শিয়াল।

    সিম্পল পার্শিয়াল খিঁচুনি: এই ক্ষেত্রে ব্যক্তি সচেতন থাকে, হঠাৎ করে কোনো আবেগ অনুভব করে (আনন্দ, দুঃখ, ভয়, যৌন উত্তেজনা), এবং কানে শোনা, গন্ধ পাওয়া, স্বাদ অনুভব করা বা দেখার ক্ষেত্রে বিভ্রম ঘটে। শরীরের কোনো অংশের অনিয়ন্ত্রিত ঝাঁকুনিও দেখা যেতে পারে।

    কমপ্লেক্স পার্শিয়াল খিঁচুনি: এতে ব্যক্তির চেতনা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে যায়। লক্ষণগুলো হলো অন্যমনস্কভাবে তাকিয়ে থাকা, স্বয়ংক্রিয় (অকারণ এবং পুনরাবৃত্তিমূলক) আচরণ — যেমন চোখের পলক ফেলা, হাত ঘষা, বৃত্তাকারে হাঁটা, মুখের অঙ্গভঙ্গি করা, ঠোঁট কামড়ানো বা বিছানার কাপড় নিয়ে টানাটানি করা। কয়েক মিনিট পরে চেতনা ফিরে আসে, তবে কিছু সময়ের জন্য অবসন্নতা থাকতে পারে।

    জেনারেলাইজড খিঁচুনি: মস্তিষ্কের সমস্ত অংশ যখন অস্বাভাবিক কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করে, তখন জেনারেলাইজড খিঁচুনি ঘটে। এটি নিম্নলিখিত কয়েকটি প্রকারের হতে পারে —

    টনিক-ক্লোনিক (গ্র্যান্ড ম্যাল খিঁচুনি): চেতনা হারিয়ে পড়ে যাওয়া, শরীর শক্ত হয়ে যাওয়া বা আড়ষ্টতা দেখা দেয়। শ্বাসকষ্টের কারণে শরীর নীলচে হয়ে যেতে পারে। এর পর শরীরের পেশির ঝাঁকুনি হয়। চেতনা ফিরে আসার পর কিছু সময়ের জন্য বিভ্রান্তি, স্মৃতিভ্রংশ, মাথাব্যথা এবং ঘুম ঘুম ভাব থাকতে পারে। প্রস্রাব ধরে রাখতে না পারা এবং জিভ কামড়ানো এই ধরনের খিঁচুনির সাধারণ লক্ষণ। আক্রমণের আগে ‘অরা’ নামে একটি পূর্বাভাসমূলক অনুভূতি হতে পারে, যার মাধ্যমে ব্যক্তি বুঝতে পারে যে খিঁচুনি আসছে।

    টনিক খিঁচুনি: এই ধরনের খিঁচুনিতে সাধারণত পিঠ, হাত এবং পায়ের পেশির শক্ত হয়ে যাওয়া ঘটে।

    ক্লোনিক খিঁচুনি: পেশিগুলোর অনিয়ন্ত্রিত ঝাঁকুনি দেখা যায়।

    অ্যাবসেন্স (পেটিট ম্যাল/মাইনর খিঁচুনি): লক্ষণগুলো খুবই সামান্য, যেমন — স্থির তাকিয়ে থাকা বা মাথা সামান্য কাত হয়ে যাওয়া এবং কয়েক সেকেন্ডের জন্য চেতনা হারানো। কোনো পতন বা পেশির সংকোচন হয় না। একজন ব্যক্তি প্রতিদিন ২০ বারেরও বেশি এমন খিঁচুনির সম্মুখীন হতে পারে। এটি সাধারণত শৈশবে দেখা যায় এবং খিঁচুনি শেষ হওয়ার পর ব্যক্তি দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

    এপিলেপসি এবং খিঁচুনির কারণ ও উদ্দীপক উপাদান
    এপিলেপসি এবং এর ফলে সৃষ্ট খিঁচুনির প্রধান কারণগুলো হলো মেনিনজাইটিস, মাথায় আঘাত বা ট্রমা, স্ট্রোক, মস্তিষ্কে টিউমার, উচ্চ জ্বর (ফেব্রাইল খিঁচুনি) এবং পরজীবী সংক্রমণ নিউরো-সিস্টিসারকোসিস। প্রধান উদ্দীপক উপাদানগুলো হলো — তীব্র আলো, শব্দ, ঘুমের অভাব, অ্যালকোহল গ্রহণ এবং ধূমপান।

  • চুল পড়ায় যে হোমিও ওষুধ কার্যকরী

    চুল পড়ায় যে হোমিও ওষুধ কার্যকরী

    ১) মাথার ত্বকের রোগজনিত কারণে চুল পড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:
    মাথার ত্বকের সেবোরিয়া (খুশকি), টিনিয়া ক্যাপিটিস (ফাঙ্গাস সংক্রমণ), একজিমার মতো রোগের ফলে চুল পড়তে পারে। এ ধরনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত চুলকানি বা দাহজনিত ক্ষত থেকে চুল পড়ে যায়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধ Psorinum মাথার ত্বকের একজিমাটাস ক্ষত থেকে নিঃসৃত আঠালো এবং দূর্গন্ধযুক্ত তরলের জন্য খুবই কার্যকর। এই তরলগুলো চুলকে আটকে ফেলে, ফলে চুল জট বেঁধে নষ্ট হয়ে যায়। Psorinum-এর প্রয়োজনীয় রোগী সাধারণত অতিরিক্ত ঠান্ডা অনুভব করেন এবং গ্রীষ্মকালেও গরম কাপড়ে নিজেকে ঢেকে রাখেন।

    অন্যদিকে, Mezereum সেইসব ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে, যেখানে মাথার ত্বকে ঘন পুরু ক্ষত থাকে এবং সেখান থেকে ঘন দূর্গন্ধযুক্ত পুঁজ নিঃসরিত হয়, যা চুলকে আঠালো করে ফেলে এবং চুলকানির ফলে পোকামাকড় জন্মাতে পারে। এর ফলে চুল পড়ে যায়।

    Mercurius Solubilis মাথার ত্বকের ক্ষতে দূর্গন্ধযুক্ত স্রাব এবং পোড়ার মতো ব্যথা থাকলে খুবই কার্যকর। এই ওষুধটি তাদের জন্য প্রযোজ্য, যাদের অতিরিক্ত ঘাম হয়, মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা নিঃসরিত হয় এবং পানির তৃষ্ণা বেড়ে যায়।

    যদি চুল পড়ার কারণ খুশকি হয়, তাহলে Thuja Occidentalis এবং Kali Sulphuricum ভালো ফল দেয়। সাদা খুশকি থাকলে Thuja এবং হলুদ খুশকি থাকলে Kali Sulphuricum ব্যবহার করা হয়।

    ২) সন্তান জন্মদানের পর এবং মেনোপজের সময় নারীদের চুল পড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:
    Natrum Muriaticum এবং Pulsatilla Pratensis সন্তান জন্মের পর নারীদের চুল পড়ার ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। Natrum Muriaticum তাদের জন্য ব্যবহার করা হয় যাদের অ্যানিমিয়া থাকে এবং সামান্য চুল স্পর্শ করলেই চুল পড়ে যায়। এই অবস্থার রোগীদের সাধারণত মাথাব্যথা হয়, যা সূর্যের তাপে বেড়ে যায়। তাদের লবণাক্ত খাবারের প্রতি বিশেষ আকর্ষণ দেখা যায়।

    অন্যদিকে, Pulsatilla Pratensis সন্তান জন্মের পর অতিরিক্ত চুল পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যাদের পানির তৃষ্ণা নেই, তাজা খোলা বাতাস পছন্দ করেন এবং সামান্য কারণেই কাঁদেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধটি কার্যকর। এছাড়া, যাদের চর্বিযুক্ত খাবার হজম করতে সমস্যা হয়, তাদের জন্যও এই ওষুধটি উপযোগী।

    মেনোপজের সময় নারীদের চুল পড়ার জন্য Sepia Officinalis ব্যবহৃত হয়। যারা দীর্ঘদিন ধরে মাথাব্যথায় ভোগেন, হট ফ্ল্যাশের পর ঠান্ডা অনুভব করেন, ঘাম হয় এবং জরায়ুতে টান অনুভব করেন, তাদের ক্ষেত্রে এই ওষুধটি কার্যকর। মানসিক লক্ষণগুলোর মধ্যে পরিবারের সদস্যদের প্রতি উদাসীনতা এবং চরম বিরক্তি দেখা গেলে এই ওষুধটি প্রয়োগ করা হয়।

    অ্যানিমিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের চুলপড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার:
    Borax, Cinchona Officinalis এবং Calcarea Phosphorica—এই তিনটি হোমিওপ্যাথিক ওষুধ অ্যানিমিয়া-জনিত চুল পড়ার ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর।

    Borax সেই রোগীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয় যারা অ্যানিমিয়ায় ভোগেন এবং যাদের চুল খুব পাতলা, জট বেঁধে যায় এবং সহজে ছেঁড়ে যায়। এই ধরনের চুল জট খুলে আঁচড়াতে কষ্ট হয় এবং কেটে ফেলতে হয়। কিন্তু চুল কাটার পর আবার নতুনভাবে জট বেঁধে যায়।

    Cinchona Officinalis সেই রোগীদের জন্য উপযোগী, যাদের রক্তক্ষরণ (নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত বা দুর্ঘটনাজনিত রক্তপাত) থেকে অ্যানিমিয়া হয় এবং এর ফলে চুল পড়ে। এই রোগীদের সাধারণত দুর্বল হজম এবং অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা থাকে।

    Calcarea Phosphorica সাধারণত সেই অ্যানিমিয়া-আক্রান্ত কিশোরী মেয়েদের জন্য ব্যবহৃত হয়, যারা দ্রুত বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছায় এবং চুল পড়া, প্রচণ্ড মাথাব্যথা এবং পেটে অম্লতা অনুভব করেন।

    অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার:
    অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা হলো একটি অবস্থা যেখানে মাথার ত্বকে নির্দিষ্ট অংশে বা দাগে চুল পড়ে যায়। এই সমস্যার জন্য Fluoricum Acidum, Phosphorus, Calcarea Carbonica এবং Vinca Minor সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
    Fluoricum Acidum সেইসব রোগীদের জন্য ব্যবহার করা হয়, যাদের গরম সহ্য হয় না এবং ঠান্ডা পরিবেশে স্বস্তি পান। টাইফয়েড জ্বরের পর অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা হলে এই ওষুধটি কার্যকর।

    Phosphorus সেইসব রোগীদের জন্য যারা মাথার ত্বকে নির্দিষ্ট স্থানে চুল হারান এবং লবণাক্ত খাবার, মুরগির মাংস, ঠান্ডা পানীয় এবং আইসক্রিমের প্রতি আসক্তি থাকে। এই রোগীরা সাধারণত লম্বা, পাতলা এবং সরু গড়নের হন।

    Calcarea Carbonica চর্বিযুক্ত, ফর্সা এবং ঢিলা গঠনের রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের মাথার ত্বকে অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং সামান্য বাতাসেও ঠান্ডা লাগে। এরা সাধারণত সেদ্ধ ডিমের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করেন।

    Vinca Minor সেইসব রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যাদের নির্দিষ্ট স্থানে চুল পড়ে গিয়ে সেখানে সাদা চুল গজায়।

    সম্পূর্ণ টাক (Alopecia Totalis) বা মাথার সমস্ত চুল পড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক প্রতিকার:
    এই ধরনের টাকের ক্ষেত্রে Silicea, Baryta Carbonica, Sulphur এবং Lycopodium Clavatum ব্যবহৃত হয়।
    Silicea সাধারণত সেই রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যাদের ডান দিকে মাথাব্যথা থাকে এবং ঠান্ডা বাতাস সহ্য করতে পারেন না। তাদের পায়ের ঘাম দূর্গন্ধযুক্ত হয় এবং তারা মানসিকভাবে একগুঁয়ে হন।

    Baryta Carbonica সেইসব তরুণদের ক্ষেত্রে কার্যকর, যারা খুবই ভীতু এবং মেধাহীন। যাদের গলার সমস্যা (যেমন টনসিলের প্রদাহ) থাকে এবং ঠান্ডা বাতাসে সমস্যা হয়, তাদের জন্যও এটি প্রযোজ্য।

    Sulphur সেই রোগীদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়, যাদের শরীরের অতিরিক্ত গরম থাকে, বিশেষ করে মাথা, হাতের তালু এবং পায়ের তালুতে। তারা সাধারণত স্নান এড়িয়ে চলেন এবং মিষ্টি খাবারের প্রতি আসক্ত থাকেন।

    Lycopodium Clavatum প্রিম্যাচিউর টাক পড়ার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের জন্য যারা গ্যাস্ট্রিক, কোষ্ঠকাঠিন্য বা লিভারের সমস্যায় ভোগেন। এরা সাধারণত গরম পানীয়, গরম খাবার এবং মিষ্টি পছন্দ করেন।

    চুল পড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা:
    বর্তমানে হোমিওপ্যাথি সারা বিশ্বে চুল পড়ার জন্য একটি স্বাভাবিক এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-বিহীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসেবে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটি সহজে প্রয়োগযোগ্য এবং নারী-পুরুষ উভয়ের জন্যই উপযোগী। তবে, চুল পড়ার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ গ্রহণের আগে একজন পেশাদার হোমিওপ্যাথের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

    চুল পড়া সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পেতে যোগাযোগ করুন 01521398941

    আরও পড়ুন: চুল পড়ার বিভিন্ন ধরন, চুল গজানোর উপায়

  • চুল পড়ার বিভিন্ন ধরন, চুল গজানোর উপায়

    চুল পড়ার বিভিন্ন ধরন, চুল গজানোর উপায়

    চুল পড়া বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন:

    ১) অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা: এটি একটি অটোইমিউন সম্পর্কিত চুল পড়ার ধরন। এ ক্ষেত্রে শরীরের প্রতিরোধী কোষগুলো চুলের কোষগুলোকে বিদেশি পদার্থ হিসেবে ভুলভাবে চিহ্নিত করে এবং তা ধ্বংস করতে শুরু করে। ফলে মাথার চুল ছোট ছোট গোলাকার বা অসমান অংশে ঝরে পড়ে। সাধারণত ২০ বছরের নিচের বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে এটি বেশি দেখা যায়।

    ২) টাক পড়া / অ্যালোপেসিয়া টোটালিস: এ ধরনের ক্ষেত্রে পুরো মাথার ত্বক থেকে সমস্ত চুল পড়ে যায়।

    ৩) টেলোজেন এফ্লুভিয়াম: এ ধরণের চুল পড়ায় চুলের ঘনত্ব কমে যায় এবং ব্যাপকভাবে চুল ঝরে পড়ে। এটি সাধারণত চুলের তাড়াতাড়ি টেলোজেন পর্যায়ে প্রবেশ করার কারণে ঘটে।

    ৪) অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া (পুরুষ এবং মহিলাদের প্যাটার্ন টাক পড়া): এটি জেনেটিক এবং হরমোনজনিত কারণে ঘটে। পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে সাধারণ চুল পড়ার ধরন, যেখানে সামনের হেয়ারলাইন পেছনে সরে যায় এবং স্ক্যাল্পের শীর্ষ এবং পাশের চুলও পাতলা হয়ে যায়। মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি তুলনামূলকভাবে কম গুরুতর এবং সাধারণত স্ক্যাল্পের উপরের অংশে চুল পাতলা হয়ে যায়।

    চুল গজানোর জন্য হোমিওপ্যাথির ভুমিকা কী
    যদিও চুল পড়া কোনো জীবন-সংকটজনিত সমস্যা নয়, তবে এটি আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য ক্রমাগত উদ্বেগ এবং মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। চুল পড়ায় ভুগতে থাকা একজন ব্যক্তি আত্মমর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাসের অভাব অনুভব করেন এবং অন্যান্য লোকদের সাথে মেলামেশার সময় অস্বস্তিতে ভোগেন। হোমিওপ্যাথি চুল পড়ার সমস্যাকে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে মোকাবিলা করতে সক্ষম এবং চমৎকার ফলাফল প্রদান করতে পারে।

    হোমিওপ্যাথিতে প্রচুর পরিমাণে দুর্দান্ত ওষুধ রয়েছে যা চুল পড়ার বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। অ্যানিমিয়া বা পুষ্টিহীনতার কারণে চুল পড়া, ত্বকের রোগজনিত চুল পড়া, মানসিক বা শারীরিক আঘাতের কারণে চুল পড়া, সন্তান জন্মদানের পর বা মেনোপজের কারণে চুল পড়া, তীব্র রোগের পরে চুল পড়া, অ্যালোপেসিয়া অ্যারিয়াটা, অ্যালোপেসিয়া টোটালিস বা অ্যান্ড্রোজেনেটিক অ্যালোপেসিয়া — এই সমস্ত ধরনের চুল পড়া হোমিওপ্যাথির সাহায্যে চিকিৎসা করা যায়।

    চুল পড়ার সমস্যার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার জন্য রোগীর বিস্তারিত কেস হিস্ট্রি বা রোগীর জীবনযাপনের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। চুল পড়ার কারণ এবং অবস্থান নির্ধারণ করার পাশাপাশি রোগীর গঠনগত লক্ষণগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। এই গঠনগত লক্ষণগুলোর মধ্যে খাদ্যাভ্যাস, তৃষ্ণার মাত্রা, উষ্ণতা সহ্য করার ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং কেস হিস্ট্রি নেওয়ার সময় এগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

    রোগীকে যথাযথভাবে পর্যবেক্ষণ করার পর, সঠিক হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্ধারণ করে প্রয়োগ করা হয়। চুল পড়ার চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত কিছু সাধারণ হোমিওপ্যাথিক ওষুধের তালিকা নিম্নে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: চুল পড়ার ১২ কারণ

  • চুল পড়ার ১২ কারণ

    চুল পড়ার ১২ কারণ

    প্রতিদিন কিছু চুল পড়া স্বাভাবিক ব্যাপার। বেশিরভাগ মানুষের প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ১০০টি চুল পড়ে। এটি ভালো একটি বিষয়। কারণ, যদি এমনটা না হতো, তবে আমাদের মাথা বিশালাকার চুলের গুচ্ছে পরিণত হতো! সাধারণত চুল পড়ে গেলে একই স্থানে নতুন চুল গজায়। তবে সত্যিকারের চুল পড়ার সমস্যা তখনই ঘটে, যখন সেই চুলগুলো আর গজায় না, অথবা গজালেও তা পর্যাপ্ত পরিমাণে নয়, যা আগের চুলগুলোর জায়গা পূরণ করতে পারে।

    চুল পড়া বলতে মাথার ত্বক বা স্কাল্প থেকে চুল ঝরে পড়াকে বোঝায়। এর আরেকটি নাম হলো অ্যালোপেসিয়া। এটি এমন একটি ব্যাপক পরিভাষা, যা চুলের পাতলা হয়ে যাওয়া বা পরিমাণে কমে যাওয়াকেও বোঝায়। এই সমস্যাটি নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে দেখা যায় এবং এতে বংশগতির বড় ভূমিকা রয়েছে। তবে শুধু জেনেটিক কারণেই নয়, আরও অনেক কারণেই চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

    এই সমস্যা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হলে চুলের বৃদ্ধি প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। চুলের বৃদ্ধি সাধারণত তিনটি পর্যায়ে সম্পন্ন হয়:

    (এক) অ্যাজেন ফেজ (Anagen Phase): এটি চুলের সক্রিয় বৃদ্ধি পর্যায়, যা প্রায় ২ থেকে ৭ বছর স্থায়ী হয়। এই পর্যায়ে চুলের গঠন ও লম্বা হওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুতগতিতে চলে।

    (দুই) ক্যাটাজেন ফেজ (Catagen Phase): এই পর্যায়টি অ্যাজেন ফেজের পরপরই ঘটে এবং প্রায় ১০ থেকে ১৪ দিন স্থায়ী হয়। এসময় চুলের রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং চুল মরে যায়।

    (তিন) টেলোজেন ফেজ (Telogen Phase): এটি বিশ্রামের পর্যায়। এই সময়ে মৃত চুল পড়ে যায়। চুলের ফলিকল ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত বিশ্রামে থাকে।

    এই তিনটি পর্যায় শেষ হলে পুরো চক্রটি আবার নতুন করে শুরু হয়। মাথার সব চুল এই পর্যায়গুলোর মধ্য দিয়ে পৃথকভাবে যায়, অর্থাৎ প্রতিটি চুলের বৃদ্ধি চক্র একে অপরের থেকে স্বতন্ত্র। সাধারণত, যে কোনো সময় মাথার প্রায় ৯০ ভাগ চুল অ্যাজেন ফেজে থাকে এবং মাত্র ১০ শতাংশ থাকে টেলোজেন ফেজে। কিন্তু যখন এই অনুপাত ব্যাহত হয়, তখনই অতিরিক্ত চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।

    চুল পড়ার সমস্যা যেকোনো বয়সে এবং নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই হতে পারে। এটি নিজেই কোনো রোগ নয়, বরং অনেক রোগের একটি লক্ষণ। চুল পড়া বিভিন্ন কারণে হতে পারে এবং এর ধরণও ভিন্ন হতে পারে।

    চুল পড়ার কারণগুলো হলো:

    ১। হরমোনাল পরিবর্তন (যেমন: গর্ভধারণ, প্রসবের পর, মেনোপজ)।

    ২। পুষ্টিহীনতা (যেমন: আয়রন বা প্রোটিনের অভাব)।

    ৩। স্ট্রেস বা মানসিক চাপ।

    ৪। উচ্চ জ্বর, ইনফেকশন বা গুরুতর অসুস্থতা থেকে সুস্থ হওয়া।

    ৫। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

    ৬। অটোইমিউন ডিজঅর্ডার।

    ৭। স্কাল্পের বিভিন্ন রোগ (যেমন: সোরিয়াসিস, ফাঙ্গাল ইনফেকশন)।

    ৮। অত্যধিক চুল বাঁধা বা স্টাইলিংয়ের কারণে ট্র্যাকশন অ্যালোপেসিয়া।

    চুল পড়ার বিভিন্ন কারণ বা প্রভাবক

    ১) মাথার ত্বকের বিভিন্ন রোগ: স্কাল্পের ফাঙ্গাল সংক্রমণ (যেমন: টিনিয়া ক্যাপিটিস), সেবোরিয়া (খুশকি), স্কাল্পের একজিমা, অথবা লাইখেন প্ল্যানাসের মতো চর্মরোগের কারণে চুল পড়তে পারে।

    ২) জেনেটিক কারণ: বংশগতির ভূমিকা রয়েছে, যা চুল পড়ার অন্যতম প্রধান কারণ।

    ৩) হরমোনাল পরিবর্তন: প্রসবের পরবর্তী সময় বা মেনোপজের মতো সময়ে হরমোনের পরিবর্তনের ফলে চুল পড়তে পারে।

    ৪) পুষ্টিহীনতা: আয়রনের অভাবে রক্তশূন্যতা (অ্যানিমিয়া) এবং প্রোটিনের অভাবে চুলের স্বাস্থ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা চুল পড়ার কারণ হতে পারে।

    ৫) তীব্র জ্বর থেকে সেরে ওঠা: টাইফয়েড, এরিসিপেলাসের মতো তীব্র জ্বর থেকে সুস্থ হওয়ার পর চুলের ব্যাপক ঝরে পড়া দেখা যায়।

    ৬) ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: উচ্চ রক্তচাপ, জয়েন্টের ব্যথা, ক্যান্সার বা বিষণ্নতা নিরাময়ের ওষুধের কারণে চুল পড়তে পারে। কেমোথেরাপির ফলে ক্যান্সার রোগীর চুল পড়ার অবস্থাকে অ্যাজেন এফ্লুভিয়াম বলা হয়।

    ৭) শারীরিক আঘাত বা ট্রমা: মাথায় আঘাত বা দুর্ঘটনার ফলে চুল পড়া দেখা দিতে পারে।

    ৮) মানসিক আঘাত: দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপ বা পরিবারের কোনো সদস্য বা প্রিয়জনকে হারানোর শোকের ফলে চুল পড়তে পারে।

    ৯) সাধারণ শারীরিক অসুস্থতা: ডায়াবেটিস, টিউবারকিউলোসিস, হাইপোথাইরয়েডিজম, বা এইডসের মতো রোগের কারণে চুল পড়া হতে পারে।

    ১০) অটোইমিউন-সম্পর্কিত চুল পড়া: এ অবস্থায় শরীরের ইমিউন কোষগুলো ভুলবশত চুলের কোষগুলোকে বিদেশি পদার্থ মনে করে ধ্বংস করে ফেলে।

    ১১) চুল বাঁধার স্টাইল এবং রাসায়নিকের ব্যবহার: টাইট ব্রেইড বা পনিটেলের মতো স্টাইলিংয়ের ফলে চুলের গোড়ায় অতিরিক্ত টান পড়ায় ট্র্যাকশন অ্যালোপেসিয়া হতে পারে। এছাড়াও, চুল রং করা বা স্ট্রেইটনারের অযাচিত ব্যবহারে চুল দুর্বল হয়ে যায়।

    ১২) ট্রাইকোটিলোম্যানিয়া: এটি একটি মানসিক ব্যাধি, যেখানে আক্রান্ত ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে নিজের মাথার চুল টেনে বের করেন।

    চুল পড়া রোধ করতে যুগান্তকারী সমাধান পেতে ফোন করুন 01521398941

  • যেসব খাবারে গোপন শক্তি বাড়ে আর যেসব খাবারে কমে

    যেসব খাবারে গোপন শক্তি বাড়ে আর যেসব খাবারে কমে

    গোপন শক্তি বা শারীরিক এবং মানসিক শক্তি, বিশেষ করে পুরুষের ক্ষেত্রে, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে বৃদ্ধি বা কমে যেতে পারে। কিছু খাবার শরীরের এনার্জি লেভেল বাড়াতে সাহায্য করে, আবার কিছু খাবার শরীরের শক্তি কমিয়ে ফেলতে পারে।

    গোপন শক্তি বাড়াতে সহায়ক খাবারগুলো হলো:
    বাদাম ও শুকনো ফল: আখরোট, কাজু, পেস্তা, মাখানী বাদাম প্রভৃতি ত্বক, হৃদয় ও শারীরিক শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া খেজুর, ডুমুর, বেদানা ইত্যাদি শুকনো ফলও শক্তি বাড়ায়।
    ডিম: ডিমের মধ্যে প্রচুর পরিমাণ প্রোটিন এবং ভিটামিন বি১২ থাকে, যা শরীরের শক্তি এবং টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা বাড়াতে সহায়ক।
    মাছ: বিশেষ করে স্যামন, টুনা, মাকরেল ইত্যাদি মাছগুলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস এবং শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।
    গরুর মাংস: গরুর মাংসে উচ্চমানের প্রোটিন এবং আয়রন থাকে, যা শরীরের শক্তি বাড়াতে সহায়ক।
    শিমলা মরিচ, পালং শাক ও সবুজ শাকসবজি: এই সব খাবারে ভিটামিন এবং মিনারেল প্রচুর পরিমাণে থাকে, যা শরীরের শক্তি ও পুষ্টির অভাব পূর্ণ করে।
    রসুন: রসুনের মধ্যে আলিসিন নামক উপাদান থাকে, যা সেলসিয়াম এবং সিট্রিক অ্যাসিডের মতো শক্তি প্রক্রিয়া সহায়তা করে।

    গোপন শক্তি কমাতে সহায়ক খাবারগুলো হলো:
    প্রক্রিয়াজাত খাবার: উচ্চ মাত্রায় চিনিযুক্ত এবং ফ্যাটযুক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার (যেমন স্ন্যাকস, কেক, ফাস্ট ফুড) শরীরের শক্তি কমিয়ে দেয় এবং প্রজনন ক্ষমতায় প্রভাব ফেলতে পারে।
    অ্যালকোহল: অতিরিক্ত অ্যালকোহল শরীরের শক্তি কমাতে পারে এবং মেটাবলিজমের ক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
    অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার: চিনি ও সুগারযুক্ত পানীয়, ক্যান্ডি ইত্যাদি শরীরের শক্তি কমাতে সহায়তা করে এবং অতিরিক্ত ইনসুলিন উৎপাদন করে।
    সিগারেট: সিগারেট বা তামাক জাতীয় দ্রব্যের ব্যবহার শারীরিক শক্তি কমিয়ে দেয় এবং প্রজনন ক্ষমতার ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
    রেড মিট (গরুর মাংস অতিরিক্ত): খুব বেশি রেড মিট খাওয়া শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ এতে উচ্চ পরিমাণে স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ক্লিস্টেরল থাকে যা শক্তি কমাতে পারে।

    সুস্থ এবং শক্তিশালী শরীরের জন্য ভালো খাদ্যাভ্যাস পালন অত্যন্ত জরুরি। তাই এ খাবারগুলোর মধ্যে ভারসাম্য বজায় রেখে খাদ্য নির্বাচন করলে গোপন শক্তি ও সামগ্রিক শারীরিক শক্তি বাড়ানো সম্ভব। খাবার খেয়েও যাদের যৌন সমস্যা থাকে তারা যোগাযোগ করতে পারেন ০১৫২১৩৯৮৯৪১

  • কোন ধরনের দুর্বলতায় কী ওষুধ খাবেন, জেনে নিন

    কোন ধরনের দুর্বলতায় কী ওষুধ খাবেন, জেনে নিন

    দুর্বলতা কী?

    দুর্বলতা এমন একটি অবস্থা যা শরীরের শক্তি এবং কর্মক্ষমতার অভাবকে বোঝায়। এটি শারীরিক বা মানসিকভাবে যেকোনো কর্মকাণ্ড করতে অক্ষমতা সৃষ্টি করে। দুর্বলতার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা), ডায়রিয়া, সন্তান প্রসব, রক্তক্ষরণ, জ্বর, বয়সজনিত দুর্বলতা, অতিরিক্ত মাসিক রক্তস্রাব, যৌন অতিরিক্ততা এবং স্নায়ুতন্ত্রের ক্লান্তি। ডায়াবেটিস, থাইরয়েড সমস্যা এবং মায়াস্টেনিয়া গ্র্যাভিস (একটি স্নায়ু-প্রতিরোধক রোগ) এমন কিছু শারীরিক অবস্থা যা দুর্বলতার সৃষ্টি করতে পারে।

    প্রশ্ন: দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সুবিধা কী?

    হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলি প্রাকৃতিক এবং নিরাপদ, এবং দুর্বলতা থেকে সুস্থ হওয়ার জন্য একটি টনিক হিসেবে কাজ করে। এগুলো শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা উভয় ক্ষেত্রেই সহায়ক। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নির্বাচন করা হয়। হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলো শরীরের নিজস্ব পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে এবং রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠার ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি অসাধারণ ফলাফল দেখিয়েছে, যা মানুষকে আরও শক্তিশালী এবং সতেজ করে তোলে।

    প্রশ্ন: দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    দুর্বলতা কমাতে হোমিওপ্যাথি বিশেষ কিছু ওষুধের পরামর্শ দেয়, যেমন- চায়না, কালি ফস, কোকুলাস ইনডিকাস এবং জেলসেমিয়াম। চায়না হল রক্তক্ষরণ, ডায়রিয়া এবং অ্যানিমিয়ার কারণে দুর্বলতার জন্য অন্যতম শ্রেষ্ঠ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। কালি ফস স্নায়ুতন্ত্রের ক্লান্তি ও অবসাদের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কোকুলাস ইনডিকাস এবং জেলসেমিয়াম বিভিন্ন পরিস্থিতিতে দুর্বলতা দূর করার জন্য কার্যকর।

    প্রশ্ন: অ্যানিমিয়ার কারণে দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    অ্যানিমিয়ার কারণে দুর্বলতার জন্য ফের মেট, ফের ফস এবং চায়না অন্যতম শ্রেষ্ঠ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। এই ওষুধগুলি তাদের কার্যকারিতায় প্রমাণিত হয়েছে যেখানে ব্যক্তি সবসময় দুর্বল, ক্লান্ত এবং শারীরিকভাবে শক্তিহীন অনুভব করে। তাদের শক্তির মাত্রা অত্যন্ত কম থাকে এবং তারা কোনো শারীরিক পরিশ্রম করতে চান না। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা এই ধরনের পরিস্থিতিতে শক্তি পুনরুদ্ধার করতে এবং হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

    প্রশ্ন: ডায়রিয়ার কারণে দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    ডায়রিয়ার কারণে দুর্বলতার জন্য চায়না এবং আর্সেনিক অ্যালবাম দুইটি অত্যন্ত কার্যকর হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। চায়না ডায়রিয়া পরবর্তী দুর্বলতার জন্য অসাধারণ ফলপ্রসূ হয়েছে, বিশেষত যখন রক্তচাপ কমে যায় এবং ব্যক্তি অচেতন হয়ে পড়ে। আর্সেনিক অ্যালবামও ডায়রিয়ার পরবর্তী দুর্বলতা দ্রুত নিরাময়ে সাহায্য করে। এই পরিস্থিতিতে ব্যক্তির শরীরের শক্তি দ্রুত সরে যায়, এবং ব্যাক্তি অস্থিরতা ও অতিরিক্ত তৃষ্ণায় ভোগে।

    প্রশ্ন: সন্তান প্রসবের পর দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    সন্তান প্রসবের পর দুর্বলতার জন্য কালী কার্ব এবং চায়না দুটি প্রধান হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। কালী কার্ব প্রসব পরবর্তী দুর্বলতার জন্য বেশ কার্যকর। এর ফলে মহিলার শক্তি নেমে যায় এবং ব্যাকপেইনের সমস্যা দেখা দেয়। চায়না হোমিওপ্যাথিক ওষুধটি প্রসবের পর রক্তস্বল্পতা এবং দুর্বলতার জন্য উপকারী, যেখানে শক্তির দ্রুত হ্রাস ঘটে এবং বমি বা অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা দেখা দেয়।

    প্রশ্ন: রক্তক্ষরণের কারণে দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    রক্তক্ষরণের পর দুর্বলতার জন্য হ্যামামেলিস, চায়না এবং কার্বো ভেজ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। এগুলি সেই ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হয়, যারা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে সম্পূর্ণ ক্লান্তি এবং শক্তিহীনতায় ভোগেন। এ ক্ষেত্রে রক্তচাপ কমে যেতে পারে এবং ব্যক্তির হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হতে পারে।

    প্রশ্ন: জ্বর পরবর্তী দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    জ্বরের পর দুর্বলতার জন্য জেলসেমিয়াম, চায়না এবং আলস্টোনিয়া স্কলারিস হোমিওপ্যাথিক ওষুধ অত্যন্ত কার্যকর। জেলসেমিয়াম এমন এক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা যা মূলত দুর্বলতা, ক্লান্তি এবং নিস্তেজতা থেকে মুক্তি দেয়। চায়না হোমিওপ্যাথিক ওষুধটি গরম ঘাম সহ দুর্বলতার জন্য উপকারী এবং ম্যালেরিয়া জ্বরের পর দুর্বলতার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে উপযোগী।

    প্রশ্ন: মাসিকের পর দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    মাসিকের পর দুর্বলতার জন্য কোকুলাস ইনডিকাস, কার্বো অ্যানিমালিস এবং অ্যালুমিনা প্রধান হোমিওপ্যাথিক ওষুধ। কোকুলাস ইনডিকাস এবং কার্বো অ্যানিমালিস এমন মহিলাদের জন্য উপকারী যারা অতিরিক্ত মাসিক রক্তস্রাবের কারণে দুর্বলতা অনুভব করেন। অ্যালুমিনা হালকা মাসিক স্রাবের কারণে দুর্বলতার জন্য কার্যকর।

    প্রশ্ন: বয়সজনিত দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    বয়সজনিত দুর্বলতার জন্য অম্ব্রা গ্রিসিয়া এবং কনিয়াম হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যবহার করা হয়। অম্ব্রা গ্রিসিয়া বৃদ্ধদের জন্য অত্যন্ত উপকারী, বিশেষ করে যারা শারীরিক দিক থেকে স্লথ এবং শীতলতা অনুভব করেন। কনিয়াম বৃদ্ধ বয়সে শারীরিক দুর্বলতা এবং অস্থিরতার জন্য উপযুক্ত ওষুধ।

    প্রশ্ন: যৌন অতিরিক্ততা ও বীর্য ক্ষয়ের কারণে দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    যৌন অতিরিক্ততা বা বীর্য ক্ষয়ের কারণে দুর্বলতার জন্য স্টাফিসাগ্রিয়া, সেলেনিয়াম এবং অ্যাসিড ফস হোমিওপ্যাথিক ওষুধগুলি ব্যবহৃত হয়। স্টাফিসাগ্রিয়া বিশেষত সেই ব্যক্তিদের জন্য উপকারী যারা যৌন অতিরিক্ততায় বা অতিরিক্ত যৌন চিন্তা করার কারণে দুর্বলতা অনুভব করেন। সেলেনিয়াম এবং অ্যাসিড ফস বীর্য ক্ষয়ের কারণে দুর্বলতা এবং ক্লান্তির জন্য কার্যকর।

    প্রশ্ন: স্নায়ুজনিত দুর্বলতার জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ কী?

    স্নায়ুজনিত দুর্বলতার জন্য কালী ফস এবং নাক্স ভোমিকা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মধ্যে সেরা। কালী ফস স্নায়ুজনিত ক্লান্তি এবং অবসাদ থেকে মুক্তি দিতে সাহায্য করে, বিশেষত যেসব ব্যক্তির মনে উদ্বেগ, চাপ ও অতিরিক্ত চিন্তা থাকে। নাক্স ভোমিকা দীর্ঘমেয়াদি মানসিক চাপের পর দুর্বলতার জন্য উপযুক্ত ওষুধ।

    এগুলি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার কিছু উল্লেখযোগ্য দিক যা দুর্বলতার প্রতিকার হিসেবে সহায়ক।

    মানতে হবে: অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথের পরামর্শ ছাড়া একা একা ওষুধ খাবেন না। এতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এমনকি প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটতে পারে। যেকোনো সমস্যায় যোগাযোগ করুন ০১৫২১৩৯৮৯৪১

  • ওভারিয়ান সিস্টের পেছনে কিছু কারণ, জটিলতা কী কী?

    ওভারিয়ান সিস্টের পেছনে কিছু কারণ, জটিলতা কী কী?

    হরমোনাল ভারসাম্যের অনিয়ম: হরমোনের পরিবর্তন বা ভারসাম্যহীনতার কারণে সিস্টের সৃষ্টি হতে পারে।

    পেলভিক সংক্রমণ: সংক্রমণ ডিম্বাশয়ের বিভিন্ন অংশকে প্রভাবিত করতে পারে।

    পারিবারিক ইতিহাস: পরিবারের সদস্যদের মধ্যে যদি ওভারিয়ান সিস্টের ইতিহাস থাকে, তবে এটি একটি প্রভাব ফেলতে পারে।

    মোটাদশা বা দ্রুত ওজন বৃদ্ধি: অতিরিক্ত ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতার ফলে সিস্টের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।
    লক্ষণসমূহ

    অনেক ক্ষেত্রে ওভারিয়ান সিস্ট নির্ণয় করা হয় যে কোন লক্ষণ প্রকাশ না করলেও, কিছু নারীতে নিম্নলিখিত উপসর্গ দেখা দিতে পারে:

    নিচের পেটে ব্যথা: সিস্টের পাশে হঠাৎ বা ক্রমাগত ব্যথা।

    ফোলা ভাব বা ভার অনুভূতি: পেটে অতিরিক্ত চাপ বা ভার অনুভূতি।

    অনিয়মিত মেনস্ট্রুয়েশন: মাসিকের সময় অসামঞ্জস্যতা, অতিরিক্ত বা কম রক্তপাত।

    যৌন মিলনের সময় ব্যথা: যৌন মিলনের সময় ব্যথা অনুভব।

    প্রায়ই প্রস্রাবের সমস্যা: প্রস্রাবের সময় অস্বস্তি বা ব্যথা।

    পাকস্থলী বা বাথরুম ব্যবহারের সময় ব্যথা: অন্ত্রের ক্রিয়া চলাকালীন ব্যথা।

    নিচের পিঠ বা থাই এ ব্যথা: পিঠ বা উরুর নীচের অংশে ব্যথা।

    বমি বমি ভাব ও বমি হওয়া: পাচনতন্ত্রের সমস্যার কারণে।

    বীজনাশক সমস্যা: কখনো কখনো ওভারিয়ান সিস্টের কারণে গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    পিসিওএসের ক্ষেত্রে অন্যান্য লক্ষণ: ব্রণ, অনিয়মিত মাসিক, অস্বাভাবিক লোমস্হিতি ও চুল পড়া।

    জরুরি প্রশ্নাবলী
    ওভারিয়ান সিস্টের জটিলতা কী কী?
    প্রধানত, ওভারিয়ান টর্সন (অঙ্গের মোচড়) এবং ফাটল এই সিস্টের জটিলতার প্রধান কারণ। হঠাৎ তীব্র পেট ব্যথা, বমি, জ্বর, মাথা ঘোরা ও দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের মতো লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা জরুরি।

    ওভারিয়ান সিস্ট ক্যান্সারাস হতে পারে?
    অধিকাংশ ক্ষেত্রে, ওভারিয়ান সিস্ট ক্যান্সারাস নয়। তবে, খুব অল্প সংখ্যক ক্ষেত্রে, বিশেষ করে মেনোপজ পরবর্তী নারীদের মধ্যে, এগুলি ক্যান্সারাস হতে পারে।

    ওভারিয়ান সিস্ট কি বীজনাশকে প্রভাবিত করতে পারে?
    সাধারণত, বেশিরভাগ সিস্ট বীজনাশক প্রভাবিত করে না। তবে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS) বা এন্ডোমেট্রিওমাসের ক্ষেত্রে, গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    এই সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদনে ওভারিয়ান সিস্টের কারণ, লক্ষণ এবং সম্ভাব্য জটিলতা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, যা পাঠকদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

  • ওভারি সিস্টের কারণ-ধরন, এটি হোমিও চিকিৎসায় গলে যায়

    ওভারি সিস্টের কারণ-ধরন, এটি হোমিও চিকিৎসায় গলে যায়

    ডিম্বাশয়ের সিস্ট (Ovarian Cysts) কী?
    ডিম্বাশয়ে তরলপূর্ণ থলি বা সিস্ট তৈরি হওয়া এক ধরনের সাধারণ শারীরিক অবস্থা। একজন নারীর এক বা একাধিক ডিম্বাশয়ে সিস্ট হতে পারে। প্রজনন সক্ষম বয়সের নারীদের মধ্যে এটি সাধারণত বেশি হয় এবং মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের মধ্যে এটি তুলনামূলকভাবে কম ঘটে। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা ডিম্বাশয়ের সিস্টের উপসর্গ চিকিৎসা করতে এবং সময়ের সাথে সিস্টগুলো নিরাপদে গলাতে সহায়ক হতে পারে।

    ডিম্বাশয় ও এর কার্যক্রম
    ডিম্বাশয় হলো দুটি ডিম্বাকৃতির গ্ল্যান্ড যা নারীর প্রজনন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ডিম্বাশয় দুটি জরায়ুর পাশের দিকে অবস্থিত এবং এর দুটি প্রধান কার্যক্রম রয়েছে – গর্ভধারণের জন্য ডিম (অভ্যু) তৈরি করা, এবং ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরোন মতো হরমোনের উৎপাদন করা। প্রতি মাসে একটি ডিম (অভ্যু) পরিণত ফোলিকল থেকে মুক্তি পায়। যদি ডিমটি শুক্রাণুর দ্বারা নিষিক্ত হয়, তবে গর্ভধারণ ঘটে। যদি ডিমটি নিষিক্ত না হয়, তবে তা ভেঙে যায় এবং জরায়ুর আস্তরণের সঙ্গে মাসিক রক্তস্রাব হিসেবে নির্গত হয়।

    ডিম্বাশয়ের সিস্টের কারণ ও ধরন
    ডিম্বাশয়ের সিস্টের কারণ সিস্টের ধরন অনুসারে ভিন্ন হতে পারে। ডিম্বাশয়ের সিস্ট বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, সবচেয়ে সাধারণগুলো হলো ফাংশনাল সিস্ট, ডারময়েড সিস্ট, এন্ডোমেট্রিওমাস, এবং সিস্টাডেনোমাস। আরেকটি অবস্থা, যাকে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) বলা হয়, সেটিও ডিম্বাশয়ে সিস্ট তৈরি করতে পারে।

    ফাংশনাল ডিম্বাশয়ের সিস্ট
    ফাংশনাল সিস্ট হলো সবচেয়ে সাধারণ এবং ক্ষতিকর নয় এমন সিস্ট যা সাধারণত দুই থেকে তিন মাসিক চক্রের মধ্যে নিজে নিজে চলে যায়। ফাংশনাল সিস্ট মাসিক চক্রের সাথে সম্পর্কিত।

    ফাংশনাল সিস্ট দুটি ভাগে ভাগ করা যায় – ফোলিকুলার সিস্ট এবং করপাস লুটিয়াম সিস্ট।

    ১) ফোলিকুলার সিস্ট: প্রতি মাসে একজন নারীর ডিম্বাশয়ে একটি ফোলিকল পরিণত হয় এবং এতে একটি ডিম থাকে। এই ফোলিকলটি ডিমটি মুক্তি দেওয়ার জন্য ভেঙে যায় (যাকে ওভুলেশন বলা হয়)। যদি কোনো কারণে ফোলিকলটি ভেঙে ডিমটি মুক্তি না দেয়, তবে এটি ফোলিকুলার সিস্টে পরিণত হয়।

    ২) করপাস লুটিয়াম সিস্ট: মাসিক চক্রে, ডিমটি ফোলিকল থেকে মুক্তি পায় ওভুলেশনের সময়। এরপর ফোলিকলটি ‘করপাস লুটিয়াম’ নামে একটি মাংসপিণ্ডে পরিণত হয়, যা প্রোজেস্টেরোন হরমোন নিঃসরণ করে। যদি ডিমটি শুক্রাণুর দ্বারা নিষিক্ত হয়, তাহলে গর্ভধারণ হয় এবং করপাস লুটিয়াম গর্ভাবস্থার প্রথম পর্যায়ে প্রোজেস্টেরোন নিঃসরণ করতে থাকে। যদি গর্ভধারণ না হয়, তবে করপাস লুটিয়াম প্রোজেস্টেরোন নিঃসরণ বন্ধ করে এবং অদৃশ্য হয়ে যায়। তবে কিছু ক্ষেত্রে, গর্ভধারণ না হওয়া সত্ত্বেও করপাস লুটিয়াম অদৃশ্য না হয়ে তরল বা রক্তে পূর্ণ হয়ে করপাস লুটিয়াম সিস্টে পরিণত হয়।

    ডারময়েড সিস্ট
    ডারময়েড সিস্ট হলো একটি অ-benign সিস্ট, যা চুল, ত্বক, চর্বি, দাঁত, থাইরয়েড টিস্যু, নখ, হাড় ইত্যাদি উপাদান ধারণ করে। এই সিস্টগুলিকে ‘ওভারিয়ান টেরাটোমাস’ও বলা হয়। এগুলি সাধারণত প্রজননযোগ্য বয়সের মহিলাদের মধ্যে দেখা যায় এবং সাধারণত ৩০ বছরের নিচে মহিলাদের মধ্যে হয়। যদিও এটি মারাত্মক সমস্যা নয়, তবে ডারময়েড সিস্ট ফেটে গেলে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এটি সংক্রমণ বা ডিম্বাশয়ের টর্শন সৃষ্টি করতে পারে, যা চিকিৎসার প্রয়োজন।

    এন্ডোমেট্রিওমাস
    এন্ডোমেট্রিওমাস হলো একটি ডিম্বাশয়ের সিস্ট যা বাদামী, তেলযুক্ত ঘন তরল ধারণ করে এবং ‘চকলেট সিস্ট’ নামে পরিচিত। এই সিস্টগুলি তখন তৈরি হয় যখন জরায়ুর আস্তরণের এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু ডিম্বাশয়ে লেগে সেখানে বৃদ্ধি পেয়ে একটি সিস্ট তৈরি করে।

    সিস্টাডেনোমাস
    যে সিস্টগুলি ডিম্বাশয়ের বাইরের স্তরের কোষ থেকে তৈরি হয়, সেগুলি সিস্টাডেনোমাস হিসেবে পরিচিত। এই সিস্টগুলো ডিম্বাশয়ের ভেতরে নয়, বরং এর পৃষ্ঠে তৈরি হয়। এই সিস্টগুলো তরল বা মিউকাস জাতীয় ঘন পদার্থ ধারণ করতে পারে। যেগুলি তরল পূর্ণ, সেগুলো সিরাস সিস্টাডেনোমাস এবং যেগুলি ঘন মিউকাস পদার্থ পূর্ণ, সেগুলি মিউসিনাস সিস্টাডেনোমাস নামে পরিচিত।

    PCOS (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম)
    PCOS একটি সাধারণ বিপাকজনিত ব্যাধি যা মহিলাদের মধ্যে হরমোনাল অস্বাভাবিকতার কারণে সৃষ্টি হয়। PCOS-এ, ডিম্বাশয়ে একাধিক ফোলিকল (তরলপূর্ণ থলি) বেড়ে ওঠে যা অপরিণত ডিম ধারণ করে। এই ডিমগুলো তারপর পরিণত হয়ে ওভুলেট করতে পারে না।

    নির্দেশিকা:- ওভারি সিস্টসহ যে কোনো সিস্ট হোমিও চিকিৎসায় দূর হয়। যোগাযোগ করুন- 01710050200

  • সন্তান না হওয়ার বা বন্ধ্যাত্বের ২০ কারণ

    সন্তান না হওয়ার বা বন্ধ্যাত্বের ২০ কারণ

    কোনো ধরনের জন্মবিরতিকরণ পদ্ধতি ছাড়া স্বামী-স্ত্রী যদি পূর্ণ এক বছর একসঙ্গে বসবাসের পরও সন্তান ধারণে ব্যর্থ হন, তাকে বন্ধ্যত্ব (ইনফার্টিলিটি) বলা হয়।

    বন্ধ্যত্ব দুই ধরনের। প্রাইমারি— যাদের কখনো সন্তান হয়নি। সেকেন্ডারি— যাদের আগে গর্ভধারণ হয়েছে, কিন্তু পরে আর হচ্ছে না।

    দম্পতিরা বন্ধ্যত্ব মোকাবেলায় কোন চিকিৎসা পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত তা নিয়ে দ্বিধায় পড়েন। আপনি কি এমন পরিস্থিতিতে আছেন, যেখানে সন্তান ধারণ করতে পারছেন না এবং কোন চিকিৎসা পদ্ধতি নিতে হবে তা ঠিক করতে পারছেন না? তাহলে, হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মাধ্যমে অনেক আশা এবং স্পষ্ট সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

    হোমিওপ্যাথি বন্ধ্যত্বের চিকিৎসায় নিরাপদ, সফল এবং কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া একটি ভালো পদ্ধতি। কারণ এই ওষুধগুলো শরীরের নিজস্ব প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে বন্ধ্যত্বের সমস্যাকে মোকাবেলা করতে সহায়ক, যা সাধারণ চিকিৎসার তুলনায় তুলনামূলকভাবে নিরাপদ এবং কম আক্রমণাত্মক। এর প্রধান সুবিধা হলো যে এই ওষুধগুলো প্রাকৃতিক উপাদান থেকে প্রস্তুত করা হয়, যা টক্সিনমুক্ত।

    তবে, প্রথমে এই সমস্যাটি চিহ্নিত করা জরুরি। বন্ধ্যত্বকে সাধারণভাবে এমন একটি অবস্থা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়, যেখানে একজন দম্পতি এক বছর বা তার বেশি সময় ধরে নিয়মিত অরক্ষিত যৌন সম্পর্ক সত্ত্বেও গর্ভবতী হতে পারেন না (যদি মহিলার বয়স ৩৫ বছরের বেশি হয়, তাহলে ৬ মাসের মধ্যে চিকিৎসা নেওয়া উচিত)। এই সময়ের মধ্যে গর্ভধারণ না হলে, চিকিৎসা সহায়তা নেওয়া প্রয়োজন। বন্ধ্যত্বের কারণ পুরুষ বা মহিলার মধ্যে যেকোনো একজনে হতে পারে, আবার ২০ শতাংশ ক্ষেত্রে উভয়েরই কারণ থাকতে পারে। এই সমস্যার সবচেয়ে বড় পরিণতি হলো মানসিক এবং সামাজিক অক্ষমতা, যেটি একটি দম্পতি সন্তানের অভাবে ভোগে। হোমিওপ্যাথি একটি দম্পতির জন্য বন্ধ্যত্বের সমস্যায় অনেক আশা প্রদান করে।

    বন্ধ্যত্বের হোমিওপ্যাথিক ওষুধ: হোমিওপ্যাথি বন্ধ্যত্বের চিকিৎসা মূলত একটি বিস্তারিত কেস বিশ্লেষণের পরে সবচেয়ে উপযুক্ত সংবিধানগত হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মাধ্যমে করা হয়। একটি বিস্তারিত কেস বিশ্লেষণে রোগীর সাধারণ শারীরিক এবং মানসিক সংবিধান, যৌন অঙ্গের উপসর্গ এবং এমনকি সেই মৌলিক কারণগুলি অন্তর্ভুক্ত থাকে যা বন্ধ্যত্বের প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করছে এবং সেগুরো ঠিক করতে হবে। হোমিওপ্যাথি বন্ধ্যত্বের জন্য প্রাকৃতিক ওষুধ যা রোগীর ইমিউনিটি বাড়িয়ে এবং শরীরের অঙ্গগুলিকে সচল করে বন্ধ্যত্বের বাঁধাগুলো দূর করতে সহায়ক।

    নারী বন্ধ্যত্বের জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:

    অ্যাসিড ভ্যাজিনাল ডিসচার্জের কারণে নারীদের বন্ধ্যত্ব:

    বোরাক্স এবং নাট্রাম ফস হলো সেরা ওষুধ।

    বোরাক্স ব্যবহৃত হয় যখন ভ্যাজিনাল ডিসচার্জ অ্যাক্রিড, ক্ষতিকর এবং শুক্রাণু হত্যা করে।

    নাট্রাম ফস ব্যবহৃত হয় যখন মধুর এবং স্যাঁতসেঁতে, ক্রীমি গন্ধযুক্ত, অ্যাক্রিড এবং দূর্গন্ধযুক্ত ভ্যাজিনাল ডিসচার্জ থাকে।

    প্রচুর বা দীর্ঘকালীন মাসিকের কারণে নারী বন্ধ্যত্ব:

    ক্যালসেরিয়া কার্ব এবং আলেট্রিস ফারিনোসা হলো উপযুক্ত ওষুধ।

    ক্যালসেরিয়া কার্ব ব্যবহৃত হয় যখন মাসিক প্রচুর এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

    আলেট্রিস ফারিনোসা ব্যবহৃত হয় যেখানে প্রাথমিক এবং প্রচুর মাসিক হয় এবং বন্ধ্যত্বের সমস্যা থাকে।

    সংক্ষিপ্ত বা অল্প মাসিকের কারণে নারীদের বন্ধ্যত্ব:

    পালসেটিলা এবং সিপিয়া হলো উপযুক্ত ওষুধ।

    পালসেটিলা ব্যবহৃত হয় যখন মহিলাদের মাসিক নিয়মিত নয় এবং তা খুবই কম।

    সিপিয়া ব্যবহৃত হয় যখন মাসিক কম এবং বন্ধ্যত্বের সমস্যা হয়।

    যৌন ইচ্ছার অভাবের কারণে নারীদের বন্ধ্যত্ব:

    অ্যাগ্নাস কাস্টাস এবং সিপিয়া ব্যবহৃত হয়।

    অ্যাগ্নাস কাস্টাস ব্যবহৃত হয় যখন যৌন ইচ্ছা কম থাকে।

    সেপিয়া ব্যবহৃত হয় যখন যৌন ইচ্ছা কম এবং যোনি শুষ্ক এবং যৌন সম্পর্কের সময় ব্যথা থাকে।

    শুক্রাণু ধারণে অক্ষমতার কারণে নারীদের বন্ধ্যত্ব:

    নাট্রাম কার্ব ব্যবহৃত হয়। এটি শুক্রাণু ধারণ করতে অক্ষম মহিলাদের জন্য কার্যকরী।

    পুরুষদের বন্ধ্যত্বের জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:

    পুরুষদের ইরেক্টাইল ডিসফাংশনের কারণে বন্ধ্যত্ব:

    অ্যাগ্নাস কাস্টাস, ক্যালাডিয়াম এবং সেলেনিয়াম হলো সেরা ওষুধ।

    অগ্নাস কাস্টাস ব্যবহৃত হয় যখন যৌন ইচ্ছা এবং শারীরিক সক্ষমতা উভয়ই অনুপস্থিত থাকে।

    পুরুষদের কম শুক্রাণু সংখ্যা:

    এক্স রে সবচেয়ে কার্যকরী।

    পুরুষদের অর্কাইটিসের কারণে বন্ধ্যত্ব:

    কনিয়াম সেরা ওষুধ।

    পুরুষদের অণ্ডকোষের অপচয় (ওয়েস্টিং) কারণে বন্ধ্যত্ব:

    সাবাল সেরুলাটা সেরা ওষুধ।

    বন্ধ্যত্বের কারণ:

    পুরুষদের মধ্যে:

    ১। ছোট বা অবনমিত অণ্ডকোষ,
    ২। অণ্ডকোষে আঘাত,
    ৩। অস্বাভাবিক/কম শুক্রাণু সংখ্যা,
    ৪। ইরেক্টাইল ডিসফাংশন,
    ৫। অকাল বীর্যপাত,
    ৬। প্রস্টেটাইটিস,
    ৭। অর্কাইটিস,
    ৮। ভেরিকোসিল,
    ৯। যৌন সংক্রমণ (যেমন ক্ল্যামিডিয়া, গনোরিয়া),
    ১০। বীর্যনাল নালী/এজাকুলেটরি ডাক্ট অবস্ট্রাকশন।

    নারীদের বন্ধ্যাত্বের কারণ-

    ১। জরায়ু/গর্ভাশয়ের গঠনগত ত্রুটি,
    ২। এন্ডোমেট্রিয়োসিস,
    ৩। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS),
    ৪। অনিয়মিত মাসিক,
    ৫। হরমোনের অস্বাভাবিকতা,
    ৬। পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (যেমন ক্ল্যামিডিয়া, গনোরিয়া),
    ৭। জরায়ু ফাইব্রয়েড,
    ৮। পেলভিক টিবি,
    ৯। পেলভিক অ্যাডহেসন,
    ১০। থাইরয়েড সমস্যা।

    নারী/পুরুষের দুজনের কারণে বন্ধ্যত্ব-

    ক। বয়সের পরিবর্তন,
    খ। স্থূলতা,
    গ। অ্যালকোহল সেবন,
    ঘ। ধূমপান,
    ঙ। ডায়াবেটিস,
    চ। মানসিক চাপ,
    ছ। রেডিয়েশনে এক্সপোজার,
    জ। কিছু ওষুধের সেবন।