Tag: হোমিওপ্যাথিতেচিকিৎসা

  • ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিতে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে আগ্রহীদের জন্য সুখবর

    ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিতে উচ্চতর ডিগ্রি নিতে আগ্রহীদের জন্য সুখবর

    স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজসমূহে ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনলাইনে আবেদন আহ্বান করেছে। এ বছর Bachelor of Unani Medicine and Surgery (BUMS), Bachelor of Ayurvedic Medicine and Surgery (BAMS) এবং Bachelor of Homeopathic Medicine and Surgery (BHMS) কোর্সসমূহে ভর্তির জন্য এক ঘণ্টার লিখিত এমসিকিউ পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে।

    আবেদনের যোগ্যতা:
    প্রার্থীদের ২০২১ বা ২০২২ সালে এসএসসি এবং ২০২৩ বা ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করতে হবে।

    উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ থাকতে হবে এবং কোনো একটিতে ৩.৫০-এর নিচে হলে আবেদনযোগ্য হবেন না।

    উপজাতীয় প্রার্থীদের জন্য জিপিএ মোট ৭.০০ এবং এককভাবে ৩.০০-এর নিচে না হওয়া আবশ্যক।

    জীববিজ্ঞানে (Biology) অবশ্যই এইচএসসিতে ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে।

    আবেদন ও ভর্তি পরীক্ষার সময়সূচি:
    অনলাইনে আবেদন শুরু: ১ জুন ২০২৫

    আবেদনের শেষ তারিখ: ১৭ জুন ২০২৫

    ফি জমার শেষ তারিখ: ১৮ জুন ২০২৫ রাত ১১:৫৯ মিনিট

    প্রবেশপত্র ডাউনলোড: ২৫ জুন থেকে ২৬ জুন ২০২৫

    ভর্তি পরীক্ষা: ২৭ জুন ২০২৫

    পরীক্ষা পদ্ধতি:
    ১০০ নম্বরের এমসিকিউ ভিত্তিক ১ ঘণ্টার লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

    বিষয়ভিত্তিক নম্বর বিভাজন: জীববিজ্ঞান ৩০, রসায়ন ২০, পদার্থ ২০, ইংরেজি ১৫, সাধারণ জ্ঞান ১০।

    লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০ নম্বর না পেলে পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য বিবেচিত হবেন।

    নম্বর মূল্যায়ন:
    এসএসসি ও এইচএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বমোট ১০০ নম্বর:

    এসএসসি জিপিএ × ১০ = ৫০

    এইচএসসি জিপিএ × ১০ = ৫০

    লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে এসব নম্বর যোগ করে মেধা তালিকা তৈরি করা হবে।

    বিশেষ নির্দেশনা:
    আবেদন ফি ১০০০ টাকা টেলিটক প্রিপেইড মোবাইলের মাধ্যমে জমা দিতে হবে।

    বিদেশি শিক্ষার্থীদের জিপিএ রূপান্তরের জন্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে Equivalence Certificate সংগ্রহ করতে হবে।

    বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজে DHMS ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষিত রয়েছে।

    আবেদন ও ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে http://dgme.teletalk.com.bd, www.dgme.gov.bd এবং www.dghs.gov.bd ওয়েবসাইটে।

    বিস্তারিত জানতে বিজ্ঞপ্তি দেখুন

  • স্ট্রোকের কারণ, ধরণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

    স্ট্রোকের কারণ, ধরণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

    উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন): উচ্চ রক্তচাপ রক্তনালীগুলোকে দুর্বল ও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা তাদের ফেটে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়। এটি স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায়।

    ধূমপান: ধূমপান রক্তনালীতে চর্বি জমা (অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস) করতে পারে, যা রক্তনালী সংকীর্ণ করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার আশঙ্কা বাড়ায়। এসব জমাট বাঁধা রক্ত মস্তিষ্কে গিয়ে স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।

    ডায়াবেটিস: ডায়াবেটিস রক্তনালীগুলোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিসের ঝুঁকি বাড়ায়। এই অবস্থায় ধমনী শক্ত ও সংকীর্ণ হয়ে যায়, যা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকে বাধাগ্রস্ত করে এবং স্ট্রোক ঘটাতে পারে।

    মোটা শরীর: ওজনাধিক্যের সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, এবং ডায়াবেটিসের মতো অন্যান্য ঝুঁকিও যুক্ত থাকে, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

    উচ্চ কোলেস্টেরল: রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা রক্তনালীতে প্ল্যাক জমে গিয়ে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাধা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহকে আটকাতে পারে এবং স্ট্রোক ঘটাতে পারে।

    স্ট্রোকের ধরন

    স্ট্রোক মূলত দুটি প্রধান ধরনে ভাগ করা যায়, প্রতিটির আলাদা কারণ এবং বৈশিষ্ট্য রয়েছে:

    ইস্কেমিক স্ট্রোক: ইস্কেমিক স্ট্রোক সবচেয়ে বেশি ঘটে এবং এটি প্রায় ৮৫ শতাংশ স্ট্রোকের ক্ষেত্রে ঘটে। এটি তখন ঘটে যখন রক্ত জমাট বা প্ল্যাক জমে রক্তনালী সংকীর্ণ বা বন্ধ হয়ে যায়, যা মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত করে। এর ফলে মস্তিষ্কের কোষে অক্সিজেন এবং পুষ্টির অভাব ঘটে, যা কোষ ধ্বংস এবং মস্তিষ্কে ক্ষতি সৃষ্টি করে। উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ধূমপান এবং ডায়াবেটিস ইস্কেমিক স্ট্রোকের ঝুঁকিকে বাড়ায়।

    হেমোরেজিক স্ট্রোক: হেমোরেজিক স্ট্রোক তখন ঘটে যখন মস্তিষ্কের রক্তনালী ফেটে যায় বা ফুটো হয়ে যায়। এটি অ্যানিউরিজম (রক্তনালীর দুর্বল অংশ) বা উচ্চ রক্তচাপের কারণে রক্তনালীর দেয়াল দুর্বল হয়ে যাওয়ার ফলে হতে পারে। হেমোরেজিক স্ট্রোক কম ঘটে, তবে সাধারণত বেশি গুরুতর হয়ে থাকে।

    স্ট্রোকের লক্ষণ ও উপসর্গ

    মুখ বেঁকে যাওয়া: মুখের এক পাশ বেঁকে যেতে পারে বা অবশ হতে পারে। এতে হাসির ভঙ্গি অসমান হতে পারে।

    হাতের দুর্বলতা: এক হাতে দুর্বলতা বা অবশ হতে পারে, ফলে উভয় হাত সমানভাবে তুলতে সমস্যা হতে পারে।

    বাক সমস্যা: কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে, কথা জড়িয়ে যেতে পারে, বা ভাষা বুঝতে সমস্যা হতে পারে।

    হঠাৎ বিভ্রান্তি: স্ট্রোক হলে হঠাৎ বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে, সহজ নির্দেশ বুঝতে অসুবিধা হতে পারে, বা দিশাহীনতা দেখা দিতে পারে।

    এই উপসর্গগুলো শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এবং এগুলোর মধ্যে কোনটি লক্ষ্য করলে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিন। স্ট্রোকের চিকিৎসায় সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    স্ট্রোকের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

    নার্ভ পুনর্গঠনে সহায়তা: হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নার্ভ পুনর্গঠনে সহায়তা করে এবং স্ট্রোক পরবর্তী স্নায়ু কার্যকারিতা পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে।

    মাসল ফাংশন উন্নত করা: হোমিওপ্যাথি পেশির টোন এবং চলন ক্ষমতা উন্নত করে, যা স্ট্রোকের পর শারীরিক পুনর্বাসনে সহায়তা করে।

    কগনিটিভ ক্ষমতা উন্নত করা: হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা স্মৃতি, মনোযোগ, এবং বাকশক্তি উন্নত করতে সহায়ক হতে পারে।

    মানসিক স্বাস্থ্যকে সহায়তা করা: স্ট্রোক পরবর্তী উদ্বেগ ও বিষণ্নতা নিরসনে হোমিওপ্যাথি মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে সহায়তা করে এবং সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করে।

    স্ট্রোকের জন্য হোমিওপ্যাথিক ওষুধ

    আর্নিকা: আর্নিকা স্ট্রোকের পর শারীরিক আঘাত থেকে সেরে উঠতে সহায়তা করে।

    লেচেসিস: লেচেসিস উচ্চ রক্তচাপের ইতিহাস বা স্ট্রোকের সঙ্গে বাম দিকের পক্ষাঘাতের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

    বেলাডোনা: বেলাডোনা হঠাৎ এবং তীব্র লক্ষণ যেমন তীব্র মাথাব্যথা, উচ্চ জ্বর, এবং অপ্রকৃতিস্থ আচরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    নাট্রাম সালফ: নাট্রাম সালফিউরিকাম মাথার আঘাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্ট্রোক বা যাদের লিভারের সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

    শতর্কতা: হোমিও ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া একা একা কিনে খাবেন না। এতে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। যে কোনো সমস্যায় যোগাযোগ করুন। 01710050200