Tag: হোমিও চিকিৎসা

  • দাঁতের সংবেদনশীলতার কারণ, হোমিও চিকিৎসা

    দাঁতের সংবেদনশীলতার কারণ, হোমিও চিকিৎসা

    দাঁতের সংবেদনশীলতা, যাকে ডেনটাইনাল হাইপারসেনসিটিভিটি বা ডেন্টিন হাইপারসেনসিটিভিটি নামেও পরিচিত। এটি একটি সাধারণ ডেন্টাল সমস্যা যেখানে দাঁতে ব্যথা বা অস্বস্তি অনুভূত হয়। সাধারণত গরম বা ঠান্ডা খাবার ও পানীয় গ্রহণের সময় এই সমস্যা দেখা দেয়। অনেক সময় ঠান্ডা বাতাস নিঃশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলেও দাঁতে ব্যথা হতে পারে। তাছাড়া মিষ্টি, টক বা অ্যাসিডিক জাতীয় খাবার ও পানীয় গ্রহণ, দাঁত ব্রাশ করার সময় বা অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ ব্যবহারে এই ব্যথা দেখা দিতে পারে।=

    এই ব্যথা হালকা থেকে শুরু করে তীব্র হতে পারে। এটি একটি দাঁতে হতে পারে আবার একাধিক দাঁতেও ছড়াতে পারে। অনেক সময় এই সমস্যা সাময়িক হয়, আবার কারও ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

    দাঁতের সংবেদনশীলতার কারণ:
    দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয়ে ডেন্টিনের প্রকাশ

    ১। দাঁতের গোড়ায় রিসেশন (gum recession)

    ২। ব্রাশ করার ভুল পদ্ধতি বা শক্ত ব্রাশ ব্যবহারের ফলে এনামেল ক্ষয়

    ৩। দাঁতের মধ্যে ফাঁক, ক্যাভিটি বা দাঁতে চিপ/ক্র্যাক

    ৪। দাঁত ঘষার অভ্যাস (Bruxism)

    ৫। অ্যাসিডিক খাবার ও পানীয় অতিরিক্ত গ্রহণ

    হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
    হোমিওপ্যাথি দাঁতের সংবেদনশীলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর হতে পারে। কারও যদি গরম বা ঠান্ডা খাবার, ঠান্ডা বাতাস, মিষ্টি, টক বা অ্যাসিডিক কিছু খাওয়ার পর দাঁতে ব্যথা হয়, তবে উপযুক্ত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এই সমস্যা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

    হোমিওপ্যাথিক ওষুধ ব্যক্তির নির্দিষ্ট উপসর্গের ভিত্তিতে নির্বাচন করা হয়। এজন্য একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত, যিনি রোগীর পূর্ণ ইতিহাস ও লক্ষণ বিবেচনা করে সঠিক ওষুধ নির্ধারণ করতে পারেন।

    কিছু পরিচিত হোমিওপ্যাথিক ওষুধ:

    1. Plantago Major – দাঁতে ঠান্ডা পানি লাগলে বা বাতাসে ব্যথা হলে উপকারী।
    2. Hypericum – দাঁতের স্নায়ুর ব্যথা বা তীক্ষ্ণ শুটিং পেইনের জন্য কার্যকর।
    3. Merc Sol – গ্লানি, লালা ঝরার সঙ্গে সংবেদনশীলতা থাকলে ব্যবহৃত হয়।
    4. Chamomilla – দাঁতের ব্যথা খুব বেশি হলে এবং সহ্যশক্তি কম থাকলে কার্যকর।
    5. Calcarea Fluorica – দাঁতের এনামেল দুর্বল হলে, দাঁত সহজেই সংবেদনশীল হয়ে পড়লে ব্যবহৃত হয়।

    ঘরোয়া যত্ন ও প্রতিরোধমূলক পরামর্শ:
    ক। বেশি ঠান্ডা বা গরম খাবার একসঙ্গে এড়িয়ে চলুন

    খ। নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন এবং সঠিক পদ্ধতিতে ব্রাশ করুন

    গ। অতিরিক্ত টক বা অ্যাসিডিক খাবার ও পানীয় কমিয়ে দিন

    ঘ। দন্তচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ করুন

    ঙ। দাঁতের পেস্ট হিসেবে সেনসিটিভিটির জন্য বিশেষ পেস্ট ব্যবহার করুন (যেমন: potassium nitrate সমৃদ্ধ পেস্ট)

    দাঁতের সংবেদনশীলতার পেছনের কারণসমূহ (Causes of Tooth Sensitivity)

    দাঁতের সংবেদনশীলতা বা Tooth Sensitivity সাধারণত দাঁতের এনামেল ক্ষয়ের ফলে ঘটে। এনামেল হচ্ছে দাঁতের বাইরের সবচেয়ে শক্ত আবরণ, যা আমাদের দাঁতের ভেতরের সংবেদনশীল অংশকে রক্ষা করে। যখন এই এনামেল ক্ষয় হয়ে যায়, তখন দাঁতের মধ্যবর্তী স্তর (ডেন্টিন) উন্মুক্ত হয়ে পড়ে, যেখানে স্নায়ুর সঙ্গে সংযুক্ত নালিকাগুলো থাকে। ফলে ঠান্ডা, গরম, মিষ্টি, টক বা বাতাসের সংস্পর্শে দাঁতে ব্যথা অনুভূত হয়।

    নিচে দাঁতের সংবেদনশীলতার কিছু প্রধান কারণ বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো:

    A. দাঁতের এনামেল ক্ষয় হওয়া (Wearing Down of Tooth Enamel):
    এটি দাঁতের সংবেদনশীলতার সবচেয়ে সাধারণ ও প্রধান কারণ।

    ১. শক্তভাবে দাঁত ব্রাশ করা বা শক্ত ব্রিসেলযুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার:
    অনেকেই দাঁত পরিষ্কার করতে গিয়ে অত্যধিক জোরে ব্রাশ করেন অথবা শক্ত ব্রিসেলযুক্ত ব্রাশ ব্যবহার করেন। এর ফলে দাঁতের এনামেল আস্তে আস্তে ক্ষয় হয়ে যায় এবং ডেন্টিন উন্মুক্ত হয়ে দাঁত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে।

    ২. বারবার অ্যাসিডিক খাবার বা পানীয় গ্রহণ:
    লেবু, কিউই, আনারস, আচার, সফট ড্রিংকস (যেমন: কোলা), টক জাতীয় ফল ইত্যাদি অতিরিক্ত খেলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হতে থাকে।

    ৩. দাঁত ঘষার অভ্যাস (Teeth Grinding বা Bruxism):
    অনেকেই রাতে ঘুমের মধ্যে বা অতিরিক্ত চাপের কারণে দাঁত ঘষেন। এতে দাঁতের উপরের এনামেল স্তর ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে।

    ৪. কিছু শারীরিক অসুস্থতা:
    GERD (Gastroesophageal Reflux Disease): এই রোগে পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীর ওপরের দিকে উঠে আসে, যা মুখগহ্বরে এসিডিক প্রভাব ফেলে এবং দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে।

    Bulimia: এটি একটি খাওয়ার রোগ যেখানে ব্যক্তি অতিরিক্ত খাবার খেয়ে পরে নিজেকে বমি করিয়ে দেন। অতিরিক্ত বমির ফলে দাঁতে এসিড আসে এবং এনামেল নষ্ট হয়।

    Gastroparesis: এই রোগে পেটের খাবার হজম হতে খুব বেশি সময় নেয়। এর ফলে বমি ও বমির অনুভূতি হয়, যা ঘন ঘন ঘটলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় হতে পারে।

    B. রঙ ফর্সাকারী টুথপেস্ট বা অ্যালকোহলযুক্ত মাউথওয়াশ:
    অনেক সময় টুথ হোয়াইটেনিং টুথপেস্টে থাকা রাসায়নিক পদার্থ দাঁতের এনামেল ক্ষয় করতে পারে। একইভাবে, কিছু মাউথওয়াশে থাকা অ্যালকোহল বা অন্যান্য রাসায়নিক উপাদানও দাঁতের সংবেদনশীলতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

    C. দাঁতের ক্যাভিটি, ফাটল, চিপ বা পুরনো ফিলিং:
    দাঁতের গর্ত, চিপ বা ফাটলের মধ্য দিয়ে ডেন্টিন উন্মুক্ত হয়ে সংবেদনশীলতা তৈরি করতে পারে। পুরনো বা ক্ষয়প্রাপ্ত ফিলিং থেকেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    D. মাড়ির সঙ্কোচন (Receding Gums):
    মাড়ি সঙ্কুচিত হলে দাঁতের গোড়ার অংশ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে, যেখানে এনামেল থাকে না – বরং সিমেন্টাম নামে অপেক্ষাকৃত নরম আবরণ থাকে। এতে ডেন্টিন সহজেই উন্মুক্ত হয়ে দাঁত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। বয়স বাড়ার সাথে সাথেও বা গাম ডিজিজ (যেমন: জিনজিভাইটিস) থাকলে মাড়ি সঙ্কোচন হতে পারে।

    E. দাঁতের চিকিৎসাজনিত সংবেদনশীলতা:
    কিছু ডেন্টাল প্রসিডিউরের পরে দাঁতের সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। যেমন:

    দাঁত ফিলিং

    রুট ক্যানাল থেরাপি

    ক্রাউন বসানো

    দাঁত ব্লিচিং বা হোয়াইটেনিং

    এ ধরণের সংবেদনশীলতা সাধারণত সাময়িক হয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই কমে যায়।

    নতুন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (Extra Tips & Info):
    নরম ব্রাশ ব্যবহার করুন: দাঁতের এনামেল রক্ষার জন্য সফট ব্রিসেলযুক্ত টুথব্রাশ ব্যবহার করা উচিত।

    ফ্লোরাইডযুক্ত টুথপেস্ট: সংবেদনশীলতার জন্য তৈরি বিশেষ পেস্ট যেমন potassium nitrate বা stannous fluoride-যুক্ত পেস্ট ব্যবহার করা যেতে পারে।

    নিয়মিত ডেন্টাল চেকআপ: প্রাথমিক পর্যায়ে সমস্যাটি শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসাও সহজ হয়।

    জলপানের অভ্যাস বজায় রাখুন: মুখে অ্যাসিডিক অবস্থা কমাতে পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    উপসংহার:
    দাঁতের সংবেদনশীলতা কোনো হালকা সমস্যা নয় – এটি দৈনন্দিন জীবনে ব্যথা, অস্বস্তি এবং ভোগান্তির কারণ হতে পারে। কারণগুলো জানা থাকলে প্রতিরোধ এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া অনেক সহজ হয়ে যায়। তাই কোনো ধরণের দাঁতের অস্বস্তি টের পেলেই দেরি না করে ডেন্টিস্ট বা হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

  • সোরিয়াসিসের (Psoriasis) কারণ, প্রকারভেদ, হোমিও চিকিৎসা

    সোরিয়াসিসের (Psoriasis) কারণ, প্রকারভেদ, হোমিও চিকিৎসা

    সোরিয়াসিসের (Psoriasis) হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা: সোরিয়াসিস একটি ক্রনিক বা পুরাতন চর্মরোগ। আমেরিকান ডার্মাটোলজিকাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্যাভিসারে, প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষ সোরিয়াসিস এ আক্রান্ত। রোগীদের মাঝে সাধারণত যে সকল চর্মরোগ দেখা যায় তার মধ্যে সোরিয়াসিস প্রধান।

    সোরিয়াসিস এমন একটি ক্রনিক রোগ যা বারবার চক্রাকারে ফিরে আসে। এটি অটোইমিউন রোগ বলে, যা সহজে ভালো হতে চায় না। তবে লাইফস্টাইল পরিবর্তন ও নিয়মিত ঔষধ সেবন করলে অনেকেই এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থাকে। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থায় মলম ও বিভিন্ন এন্টিবায়োটিক ওষুধ সেবনে এ রোগকে নিয়ন্ত্রণ করে রাখা হয়। কিন্তু এসকল ওষুধ দীর্ঘদিন সেবনের ফলে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াসহ দীর্ঘমেয়াদী আরো বিভিন্ন রোগ যেমন কিডনী ড্যামেজ, শ্বাসকষ্ট, গ্যাস্ট্রিক আলসার, যৌন দুর্বলতা, হৃৎপিন্ডের বিভিন্ন জটিলতাসহ বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। বর্তমানে আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা ব্যবস্থা অনেক এগিয়ে গেছে। চর্মরোগসহ বিভিন্ন জটিল রোগে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে সম্পূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ও স্থায়ীভবে আরোগ্য হওয়ার খবর পাওয়া যায়। সেক্ষেত্রে সোরিয়াসিস (Psoriasis) এর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নেওয়া হলে স্থায়ীভাবে আরোগ্য হওয়ার সুযোগ থাকে। যদিও সোরিয়াসিস থেকে সম্পূর্ণ আরোগ্য হতে যথেষ্ঠ সময় ব্যয় করতে হয়। তবুও বিভিন্ন সোস্যাল মিডিয়া ও ওয়েবসাইট এ সোরিয়াসিস (Psoriasis) এর হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা নিয়ে অসংখ্য রোগী সুস্থ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    সোরিয়াসিসের (Psoriasis) প্রকারভেদঃ
    প্লাক সোরিয়াসিসঃ এটি ত্বকের যেকোন যায়গায় হতে পারে এবং এটিই সব থেকে বেশি হয়ে থাকে।
    নেইল সোরিয়াসিসঃ সাধারণত নখের প্রান্তে হয়ে থাকে।
    গাটেট সোরিয়াসিসঃ এটি প্রধানত শিশু কিশোরদের বুক, গলা ও মাথায় হয়ে থাকে।
    ইনভার্স সোরিয়াসিসঃ চামড়ার বিভিন্ন ভাজে সাধারণত এই প্রকারের সোরিয়াসিস হয়ে থাকে।
    পাস্টুলার সোরিয়াসিসঃ এটি সাধারনত শরীরে বড় একটি অংশ জুরে ছোট ছোট পুজ যুক্ত উদ্ভেদ উৎপন্ন করে, সাথে জ্বর ও ব্যাথা থাকতে পারে।
    সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিসঃ চর্মে উদ্ভেদের সাথে সাথে অনেক সময় বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা হতে থাকে। পরবর্তিতে এটা আর্থ্রাইটিসে রুপ নেয়।

    সোরিয়াসিসের (Psoriasis) কারণ:
    সোরিয়াসিস কীভাবে হয় তা এখনো বিজ্ঞানীরা পরিস্কারভাবে বলতে পারেননি। তবে এটি অটোইমিউন ডিজিজ বলে, শরীরে অবস্থিত টি-সেল (যা ফরেন বডির বিরুদ্ধে কাজ করে) শরীরের বিভিন্ন কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে শুরু করে, ফলে অতিরিক্ত কোষ তৈরী হয়ে তা সোরিয়াসিসে রুপ নেয়। সোরিয়াসিসের সম্ভব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছেঃ

    ১। পারিবারিক সোরিয়াসিসের ইতিহাস থাকা।
    ২। ত্বকে ভাইরাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশান হওয়া।
    ৩। মানসিক চাপ।
    ৪। ধূমপান করা।
    ৫। চর্মে বিভিন্ন প্রাকারের আঘাত পাওয়া।
    ৬। ভিটামিন ডি স্বল্পতা ইত্যাদি।

    সোরিয়াসিস এর লক্ষণ
    সোরিয়াসিসের রোগ লক্ষণ একেক রোগীর মধ্যে একেক রকম হতে পারে। এর মধ্যে কমন যে সিম্পটমস গুলো পাওয়া যায় তাহলঃ

    ক। লাল রঙের ফুস্কুরি যা রুপালী রঙের চটা/মামড়ী দিয়ে আবৃত থাকে।
    খ। ছোট ছোট মামড়ীযুক্ত উদ্ভেদ।
    গ। শুষ্ক, ফাটা ত্বক যা থেকে রক্তপাত হয়।
    ঘ। চুলকানী, জ্বালা ও ক্ষত।
    ঙ। নখের অগ্রভাগ মোটা, ভাজ বা বসে যাওয়া।
    চ। শরীরের বিভিন্ন জয়েন্ট ফুলে ব্যাথা হওয়া।

    জটিলতাঃ
    সোরিয়াসিস থেকে বিভিন্ন প্রকারের জটিল রোগ হতে পারে, যেমনঃ

    সোরিয়াটিক আর্থ্রাইটিস
    চোখের বিভিন্ন সমস্যা
    দেহের স্থুলতা
    টাইপ ২ ডায়াবেটিস
    উচ্চ রক্তচাপ
    কিডনীর বিভিন্ন প্রকার রোগ ইত্যাদি।

    রোগ নির্ণয়ঃ
    সাধারণত চর্ম পর্যবেক্ষণ করেই সোরিয়াসিস ডায়াগনোসিস করা হয়, এছাড়া

    ফিজিক্যাল এক্সামিনেশন ও মেডিকেল হিস্টোরি নেওয়া
    স্কিন বায়োপসি করেও রোগ নির্ণয় করা হয়।

    চিকিৎসা-
    ধূমপান পরিহার করা।
    মানুষিক চাপমুক্ত থাকা।
    ফিস অয়েল ব্যবহার করা।
    সর্বদা ত্বক পরিস্কার রাখা।

    সেরাইসিসের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা-
    সোরিয়াসিস যদিও সম্পূর্ণ ভালো হওয়া একটু কঠিন তবে অভিজ্ঞ ও উচ্চশিক্ষিত হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের নিকট নিয়মিত চিকিৎসা নেওয়ার পাশাপাশি সকল ম্যানেজমেন্ট সঠিক মতো মেনে চললে সোরিয়াসিস নামক এই পুরাতন রোগ থেকেও মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যোগাযোগ ০১৫২১৩৯৮৯৪১